প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

নিউইয়র্কে বাঙালী ব্যবসায়ীর বাংলা টাউন সুপার মার্কেট গ্রুপের সাফল্য

ডেস্ক রিপোর্ট : নিউইয়র্কে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন বাংলা টাউন সুপার মার্কেট ও বাংলা গার্ডেন রেষ্টুরেন্ট গ্রুপের কর্ণধার সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের বাসিন্দা কাওসারুজ্জামান কয়েস। নিউইয়র্কে বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের স্টারলিং-বাংলাবাজার এভিনিউ এলাকার বাংলা টাউন গ্রুপের বাংলা টাউন সুপার মার্কেট অ্যান্ড হালাল মিট রূপান্তরিত হয়েছে বি অ্যান্ড এম ডিসকাউন্টে। গ্রোসারী পণ্য প্রত্যাহার করে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে স্টোরটি পুরোপুরি ডিসকাউন্ট স্টোরে রূপান্তর করা হয়েছে। একই ছাদের নিচে গ্রোসারী পণ্য ছাড়া স্টোরটিতে রয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্য সামগ্রী। গত ৭ এপ্রিল রোববার নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ঐতিহ্যবাহী বাংলা টাউন সুপার মার্কেট ও বাংলা গার্ডেন রেষ্টুরেন্ট গ্রুপের কর্ণধার কাওসারুজ্জামান কয়েসের মালিকানাধীন এ স্টোরটি রি-গ্র্যান্ড ওপেনিং হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজনে। প্রতিষ্ঠানটির শুভ কামনায় আয়োজন করা হয় বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের। কতৃপক্ষ জানান, বি অ্যান্ড এম ডিসকাউন্টের রি-গ্র্যান্ড ওপেনিং উপলক্ষে চলছে ছাড়।

বাংলা টাউন সুপার মার্কেট ও বাংলা গার্ডেন রেষ্টুরেন্ট গ্রুপের কর্ণধার কাওসারুজ্জামান কয়েসের জানান, তার মালিকানাধীন এ স্টোরটি ছাড়াও রয়েছে বাংলা গার্ডেন রেষ্টুরেন্ট, বাংলা টাউন সুপার মার্কেট অ্যান্ড হালাল মিট, বি অ্যান্ড এম ডিসকাউন্টসহ বাংলা টাউন নামে আরো একটি গ্রোসারী ও সুপার মার্কেট।

নিউইয়র্কে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের বাসিন্দা কাওসারুজ্জামান কয়েস। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীদের উন্নতমানের সেবা প্রদানের লক্ষে এসকল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরে মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেই নয়, ব্যবসা যে মহা নবী (স.) এর সুন্নত সে বিষয়টি লালন করেই সেবার মানসিকতা নিয়েই সেকাজ করে যাচ্ছি। নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কমিউনিটিকে বিশুদ্ধ হালাল ব্যবসার মাধ্যমে সুলভ মূল্যে সকল পণ্য সামগ্রী তুলে দেয়াই তার লক্ষ বলে জানান কয়েস।
তিনি বলেন, পবিত্র রমজানে আমরা ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। রোজাদারদের সুবিধার্থে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা সকল পণ্যে ডিসকাউন্ট দিচ্ছি। মাছ, মাংসেও থাকছে ডিসকাউন্ট। সবগুলো ইফতারি পণ্যের মূল্যও কমিয়ে দিয়েছি।

উল্লখ্যে, ১৯৮৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসী হন। তিনি জানান, ১৯৯০ সালের মার্চে ম্যানহাটানে সেইভ ওয়ে ডেলী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রবাসে তার ব্যবসায় হাতেখড়ি। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ব্যবসায় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় একের পর এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন এ প্রবাসী বাংলাদেশী। এর পর ব্রঙ্কসে প্রতিষ্ঠা করেন ফ্রেন্ডস গ্রোসারী অ্যান্ড ফিস মার্কেট। পরবর্তীতে স্টারলিং ফিস মার্কেট প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশীদের মধ্যে প্রথম লাইভ ফিস ব্যবসা তার হাত দিয়েই শুরু বলে জানালেন ব্যবসায়ী কয়েস।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত