প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

পুলিশের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নুসরাত সংক্রান্ত কথিত সত্য রিপোর্টে সাংবাদিক আটক, ছাড়িয়ে নিল নুসরাতের মা

সাজিয়া আক্তার : সোনাগাজীর নবগঠিত নুসরাত ফাউন্ডেশনের নামে প্রকাশিত একটি স্মরণিকা জব্দ করেছে ফেনী থানা-পুলিশ। এই প্রকাশনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দৈনিক ‘সংগ্রাম’ এর সোনাগাজী উপজেলা প্রতিনিধি ও সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে সোমবার দুপুরে আটক করে। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে নুসরাতের মা-ভাই ও ফেনীর সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ছেড়ে দেয়া হয়। দেশ রূপান্তর
পুলিশ জানায়, নুসরাত হত্যার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বেশ কিছু প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট ছবি প্রকাশিত হয়। এতে দৈনিক ‘নয়া দিগন্ত’ ও দৈনিক ‘সংগ্রাম’ সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত বেশ কিছু প্রতিবেদনের কপি স্থান পায়। নুসরাত হত্যার পর তার ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের দায়ের করা মামলার কপিও সেখানে ছেপে দেয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন কাগজে প্রকাশিত কলাম ও ছবি এতে স্থান পায়।

সোমবার দুপুরে কতিপয় ব্যক্তি সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় সাংবাদিক মাহমুদুল হাসানকে ফেনী মডেল থানায় নিলে বিকেলে ও সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংবাদিকরা সেখানে যান। রাত সাড়ে আটটার দিকে নুসরাতের মা শিরিনা আক্তার ও ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হানও থানায় যান।

ফেনী মডেল থানায় সোমবার রাতে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে হাসান বলেন, এই প্রকাশনাটি নুসরাতের পরিবারের নিবিড় তত্ত¡াবধানে হয়েছে। তাদের অনুরোধেই তিনি প্রকাশনার কিছু দায়িত্ব পালন করেন।

সোমবার রাতে ফেনী মডেল থানায় বসে নুসরাতের মা বলেন, সাংবাদিক হাসান আমাদের আত্মীয়। তাই এই প্রকাশনাটি দেখাশোনার দায়িত্ব তাকে দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন কাগজে প্রকাশিত লেখাগুলো এক জায়গায় নিয়ে আসতে এর উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে বোরবার জেলা প্রশাসনের ইফতারের আগে কে বা কারা ওই বই বিলি করেছে তা তিনি জানেন না বলে জানান।
ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই প্রকাশনায় বিভিন্ন কাগজে পুলিশের বিরুদ্ধে যেসব সত্য-অসত্য তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তার সবগুলোই সন্নিবেশিত হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। কোন পক্ষ তার অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে এমনটা করে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, কেউ কেউ প্রচার করেছেন পুলিশ হাসানকে আটক করে থানায় এনেছে। আসলে আমরা তাকে নিয়ে আসিনি। স্থানীয় কয়েকজন জনতা তাকে নিয়ে আসে। তাকে আনার পর কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও ওসির কক্ষে অপেক্ষমাণ হিসেবে রাখা হয়।

তিনি বলেন, এখনো নুসরাতের মামলার তদন্ত শেষ হয়নি, আদালতে অভিযোগপত্রও জমা পড়েনি। এমন সময় এ ধরনের প্রকাশনা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

এ বিষয়ে নুসরাত স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক টিপু বলেন, আমরা কোন খারাপ উদ্দেশ্যে এটা করিনি। পরিবারের উৎসাহে নিজেদের টাকায় করেছি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হবে জানলে করতাম না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত