শিরোনাম
◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ◈ কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ এনসিপির ‘সুপার সিক্সটিন’ কী, কারা আছেন এই তালিকায় ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ◈ দেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এবার পুলিশের বিশেষ ইউনিট ◈ শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া সেই রুমির বার্তা, ‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’ ◈ অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চীন সেনাদের মুখোমুখি অবস্থান, নতুন করে উত্তেজনা ◈ আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে , জানা গেল কারণ ◈ ব্যাংকে আমানতের সুদ কমছে, সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখলে নিরাপদ ও বেশি লাভ? ◈ সৌদি আরবে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকা যাচাই করছে সরকার

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ০৯:৩৪ সকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ০৯:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবদান স্বীকার করতেই বাবা মা দুইয়ের নাম সংযোজনে হাইকোর্টে লড়ছি , বললেন জোবাইদা পারভিন

কেএম নাহিদ: পরিচয়ের ক্ষেত্রে কেনো বাবার নামের পাশাপাশি মায়ের নাম বাধ্যতামূলক করা হবে না কেনো, তা সরকারকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়টি কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মামলাটি দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জোবাইদা পারভিন। তিনি মঙ্গলবার বিবিসি’র সঙ্গে সাক্ষাতকারে বলেন, বর্তমানে নারীর সাম্যও সমতা প্রয়োজন। ২০০০ সালে একটা প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া সত্তে¡ও সেটা সকল ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না। কোনো কেনো ক্ষেত্রে হচ্ছে, কিন্তু সকল ক্ষেত্রে হচ্ছে না। ফলে আমরা সর্বত্র বাধ্যতামূলক বাবার নাম লিখছি, মায়ের নাম এখানে আসছে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি মায়ের অবদান আছে সন্তানের জন্য, সন্তান সমাজের ভবিষ্যৎ সেই সন্তানই সমাজকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। সেখানে বাবার নামের পাশাপাশি মায়ের নামও থাকা উচিত।

তিনি আরো বলেন, সমাজ সেখানে একটা পঙ্গুত্ব অর্জন করে আছে। মায়ের সম্মানটা সঠিকভাবে দিলেই, সমাজে নারী নির্যাতন বন্ধ হয়ে যাবে। বাবার নামে সঙ্গে মায়ের নাম থাকাটা একটা স্বীকৃতি নারী সমাজের জন্য। দেশের নারীরা অনেক এগিছে আজ তারা অর্থনীতিতে ও অনেক অবদান রাখছে। সেই ভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না সমাজে। কারণ সে তার লিগ্যাল অভিাভাবক নয়। যখন নারী তার লিগ্যাল অভিভাবকত্ব পাবে, সমাজ, পরিবারে নারীর অগ্রগতির একটা ধাপ বেড়ে যাবে, হাইকোর্ট এ রুলে সরকার মানতে বাধ্য । সম্পাদনায়: কায়কোবাদ মিলন।

  • সর্বশেষ