শিরোনাম
◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি ◈ কী ঘটেছিল, কী দেখে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছিল ডাকাতদল? যা জানাগেল (ভিডিও) ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন, জড়িত তিন সহোদর ◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং ◈ বন্দরকে না জানিয়েই উধাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ ◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ০৯:৩৪ সকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ০৯:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবদান স্বীকার করতেই বাবা মা দুইয়ের নাম সংযোজনে হাইকোর্টে লড়ছি , বললেন জোবাইদা পারভিন

কেএম নাহিদ: পরিচয়ের ক্ষেত্রে কেনো বাবার নামের পাশাপাশি মায়ের নাম বাধ্যতামূলক করা হবে না কেনো, তা সরকারকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়টি কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মামলাটি দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জোবাইদা পারভিন। তিনি মঙ্গলবার বিবিসি’র সঙ্গে সাক্ষাতকারে বলেন, বর্তমানে নারীর সাম্যও সমতা প্রয়োজন। ২০০০ সালে একটা প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া সত্তে¡ও সেটা সকল ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না। কোনো কেনো ক্ষেত্রে হচ্ছে, কিন্তু সকল ক্ষেত্রে হচ্ছে না। ফলে আমরা সর্বত্র বাধ্যতামূলক বাবার নাম লিখছি, মায়ের নাম এখানে আসছে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি মায়ের অবদান আছে সন্তানের জন্য, সন্তান সমাজের ভবিষ্যৎ সেই সন্তানই সমাজকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। সেখানে বাবার নামের পাশাপাশি মায়ের নামও থাকা উচিত।

তিনি আরো বলেন, সমাজ সেখানে একটা পঙ্গুত্ব অর্জন করে আছে। মায়ের সম্মানটা সঠিকভাবে দিলেই, সমাজে নারী নির্যাতন বন্ধ হয়ে যাবে। বাবার নামে সঙ্গে মায়ের নাম থাকাটা একটা স্বীকৃতি নারী সমাজের জন্য। দেশের নারীরা অনেক এগিছে আজ তারা অর্থনীতিতে ও অনেক অবদান রাখছে। সেই ভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না সমাজে। কারণ সে তার লিগ্যাল অভিাভাবক নয়। যখন নারী তার লিগ্যাল অভিভাবকত্ব পাবে, সমাজ, পরিবারে নারীর অগ্রগতির একটা ধাপ বেড়ে যাবে, হাইকোর্ট এ রুলে সরকার মানতে বাধ্য । সম্পাদনায়: কায়কোবাদ মিলন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়