প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পরিবহন শ্রমিক ও চিকিৎসক আধিক্য সেবা খাতে মানুষ জিম্মি হয়ে আছেন, আইনজীবী মনজিল মোরশেদ

মঈন মোশাররফ : নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশের সব পেশাজীবীদেরই সংগঠন আছে। এসব সংগঠন দলীয় পরিচয়েও করা হয়। প্রশ্ন হলো, তা কতটা তাদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে আর কতটা অবৈধ স্বার্থ আদায়ে সিন্ডিকেট হিসেবে কাজ করে?

এ প্রসঙ্গে আইনজীবী মনজিল মোরশেদ মঙ্গলবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, এটা এখন সিন্ডিকেটের মতো হয়ে গেছে। পেশার উন্নয়নে কাজ না করে, পেশাগত ন্যায্য সুযোগ-সুবিধার জন্য কাজ না করে তারা অনেক সময়ই অবৈধ সুবিধা নিতে চায়। আর নেতারা রাজনৈতিক দলের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে আখের গোছানোর কাজ করেন। এই সিবিএগুলো রাজনৈতিভাবে ক্ষমতাবান। এরা কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড় হিসেবে তাদের ছত্রছায়ায় কাজ করে। ফলে তাদের মূল কাজ শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ (করা হলেও তারা) তা করে না। তারা নানা অবৈধ এবং অনৈতিক সুবিধা

তিনি আরো বলেন, কে কত লোক রাস্তায় নামাতে পারে বা কার লোকবল কত বেশি তার ওপর নির্ভর করে সিন্ডিকেটের শক্তি। পরিবহণ শ্রমিক সংখ্যায় বেশি। আর যোগাযোগের সড়ক, যানবাহণ যেহেতু তাদের নিয়ন্ত্রণে, তাই তারা যা খুশি তাই করতে পারে। তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতাও আছে। চিকিসকদের অবস্থাও তাই। তাদের হাতে সারা দেশের হাসপাতাল ও চিকিৎসা ব্যবস্থা। তারা সেবা দেয়া বন্ধ করে দিলে সাধারণ মানুষের কোনো উপায় থাকে না। তারা জিম্মি হয়ে পড়েন। কিন্তু চিকিৎসকরা আইন বা পেশাগত নীতিকে তোয়াক্কা না করে সংখ্যার জোরে, ক্ষমতার জোরে মানুষকে জিম্মি করে।‘তাদের মূল ক্ষমতা রাজনীতি’।

তিনি জানান, সিবিএ এবং পেশাজীবী সংগঠনগুলো তাদের মূল উদ্দেশ্যের বাইরে চলে গেছে। তাই তাদের আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা প্রয়োজন। পেশাজীবীদের এই সিন্ডিকেট দৌরাত্মের বাইরে আইনজীবী এবং সাংবাদিকরাও নন। অনেক সাংবাদিক নেতা আছেন, যাদের নেতাগিরি আছে, সাংবাদিকতা নেই। তারা সংগঠন করেই তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেন। তারা রাজনীতি এবং ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। সম্পাদনা কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত