প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিটু মামলায় প্রিয়া ও সাবেক মন্ত্রী আকবরের আইনজীবীদের মধ্যে আদালতে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়

শেখ নাঈমা জাবীন : ভারতের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এমজে আকবর জানিয়ে দিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে সাংবাদিক প্রিয়া রামানির আনা যৌন হেনস্থার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওবেরয় হোটেলে চাকরির সাক্ষাৎকারের সময় প্রিয়ার সঙ্গে তিনি কোনও অভব্যতা করেননি বলে দাবি করলেন তিনি। প্রসঙ্গত, প্রিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন আকবর। ওই মানহানি মামলায় সোমবার দিল্লীর অতিরিক্ত মুখ্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সমর বিশালের সামনে হাজিরা দেন আকবর। আদালতে মামলাটি ৬ জুলাই পর্যন্ত মুলতুবি রাখা হয়েছে। ‘এশিয়ান এজ’ সংবাদপত্রের জন্য সাক্ষাৎকার দিতে আসা প্রিয়ার সঙ্গে তাঁর দেখা হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন আকবর। প্রিয়ার আইনজীবী রেবেকা জনের প্রশ্নের উত্তরে এই বিবৃতি দেন তিনি। আদালত কক্ষ এদিন সাক্ষী রইল আকবর ও প্রিয়ার আইনজীবীদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের। আকবরের পক্ষে উপস্থিত বরিষ্ঠ আইনজীবী গীতা লুথরা বারবার প্রিয়ার আইনজীবীকে থামিয়ে দিচ্ছিলেন। তাঁর দাবি ছিল জেরা হওয়া উচিত প্রশ্নোত্তর আকারে। পরে বিচারক তাঁকে থামিয়ে দেন। এনডিটিভি

গত বছরের অক্টোবরে আকবর বিদেশমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। প্রিয়ার ‘মিটু’ অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এরপর মানহানির মামলা করেন। আকবরের পদত্যাগের পরে প্রিয়া টুইট করেন ‘একজন মহিলা হিসেবে এমজে আকবরের পদত্যাগে স্বস্তি পেয়েছি। আমি সেইদিনের দিকে তাকিয়ে আছি যেদিন আদালতে সুবিচার পাব।’ প্রসঙ্গত, আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা মহিলাদের মধ্যে প্রিয়া অন্যতম। ক’দিন পরেই আকবর মানহানির মামলা করেন প্রিয়া রামানির বিরুদ্ধে। প্রিয়া তাঁর ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন ‘মিথ্যে ও ভিত্তিহীন অভিযোগ’ জানিয়ে, এই ছিলো আকবরের বক্তব্য।

এক মার্কিন মহিলা সাংবাদিকও আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, ২৩ বছর আগে জয়পুরের এক হোটেলে তাঁকে ‘যৌন, মৌখিক ও আবেগময়’ হয়রানি করেন আকবর। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এটা একেবারেই উভয়ের সম্মতিপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ওই সাংবাদিক বলেন, কোনও সম্পর্কই ‘জুলুম ও ক্ষমতার অপব্যবহার’কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে না। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

সর্বাধিক পঠিত