প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

গোপনে যেভাবে চলে হরিণের মাংসের ব্যবসা

নুর নাহার : পাঁচ মন হরিণের মাংস, দুটো হরিণের খুলি, আর চামড়া শনিবার উদ্ধার হয়েছে বরগুনা থেকে। সাতক্ষীরা শ্যামনগরের একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, কীভাবে এই চোরা শিকার হয়। Ñ বিবিসি বাংলা
হরিণ শিকারিরা রাতের বেলায় সুন্দরবনে গোপনে ঢোকে। নাইলনের দড়ির এক ধরনের ফাঁদ ব্যবহার করেন তারা। হরিণের নিয়মিত যাতায়াতের পথে এগুলো পাতা হয়। হরিণগুলো আটকে যায়। এক রাতে পেতে আসা হয়। পরের রাতে গিয়ে আবার দেখা হয়।
অনেক সময় হরিণগুলো গলায় ফাঁস লেগে মারা পরে। এই ফাঁদের পদ্ধতির নামই স্থানীয়ভাবে ফাঁসি দিয়ে হরিণ মারা। স্থানীয় বাজারে কিছুটা রাখঢাক রেখে হরিণের মাংস বিক্রি হয়। কিন্তু তাদের চোখ থাকে আরও দুরে সুদূর ঢাকা শহর পর্যন্ত। ছয় থেকে সাতশো টাকা কেজি দরে হরিণের মাংস অগ্রিম অর্ডারও নেয় শিকারীরা।
হরিণের মাংস মূলত সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর এসব জেলা থেকে অথবা এই জেলার উপর দিয়ে আসে। নোয়াখালী থেকেও হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপে হরিণের মাংসের নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। নৌ ও স্থলপথ দুভাবেই এটি বড় শহরে যায়।
২০১৮ সালে শুধু সুন্দরবনের প্রায় ৫০০ কেজির মতো হরিণের মাংস জব্দ করা হয়েছে। আনুমানিক দুশো হরিণ এভাবে মারা পরে। কিন্তু পাঁচটি জেলা থেকে আসে এর সরবরাহ।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের সাথে যুক্ত বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের একজন স্বেচ্ছাসেবক বলছেন, “উৎসবের সময় হরিণ শিকার বেড়ে যায়। ঈদকে কেন্দ্র করে অনেক অর্ডার বাড়বে। আর সেগুলো বেশিরভাগই যাবে ঢাকার মানুষের ফ্রিজে।
এই পুরো ব্যবসার সাথে জড়িত স্থানীয় প্রভাবশালীরা যাদের ভয়ে অনেকে নাম প্রকাশ করতে চান না। তিনি বলেন, “আগে বন্দুক ব্যবহার করা শিকারি বেশি ছিল। এখন সেটা আর সেভাবে সম্ভব হচ্ছে না।” Ñসম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত