প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

বাকিংহামের পরই বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান বাড়ি মুকেশ আম্বানীর

মৌরী সিদ্দিকা : বাড়িটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১৪ হাজার কোটির কাছাকাছি। তবে মুম্বাইয়ের রিয়্যাল এস্টেটের হিসাব অনুযায়ী ধরলে এই বাড়িটির প্রতি বর্গফুটের দাম প্রায় ৮৫ হাজার রূপী। বাকিংহাম প্রাসাদের পরই বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান বাড়ির এটি। মুম্বাইয়ের আল্টামাউন্ট রোডের এই ম্যানসনটি প্রায় ৪ লক্ষ বর্গ ফুটের।

বাড়ির নাম অ্যান্টিনিয়া। মুম্বাইয়ের এই বাড়িটিই রিলায়্যান্স কর্ণধার মুকেশ অম্বানীর ঠিকানা। এই অট্টালিকার মতো বাড়িটির কোন একটি তলার সাথে অপর তলার মিল নেই। কিন্তু এই বাড়িটির নাম অ্যান্টিনিয়া কেন ?

আটলান্টিক মহাসাগরের রহস্যময় দ্বীপ অ্যান্টিনিয়ার থেকেই নাম রাখা হয়েছে বাড়িটির। শিকাগোর পার্কিনস অ্যান্ড উইল সংস্থা এবং অস্ট্রেলিয়ার লেয়টল হোল্ডিংসের নকশায় তৈরি অম্বানী পরিবারের এই বাড়ি। এটি রিকটার স্কেল অনুযায়ী ৮ তীব্রতা পর্যন্ত ভূমিকম্প সহনে সক্ষম। ২৭ তলার বাড়িটি মারাত্মক উঁচু সিলিংয়ের কারণেই প্রায় ৪০ তলা বাড়ির সমান।

অম্বানী ছাড়া বাড়িতে থাকেন ৬০০ জন কর্মচারী। রয়েছেন নিরাপত্তা রক্ষী, দেহরক্ষীরাও। ৫৭০ ফুট উঁচু বাড়ির ভিতরই রয়েছে জিম, হেলথ স্পা, বিউটি পার্লার, বলরুমক। রয়েছে তিনটি সুইমিং পুল। যোগাসন এবং নাচের জন্য আলাদা স্টুডিও’র বন্দোবস্ত করা হয়েছে অ্যান্টিলিয়ায়। নিজস্ব প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে অ্যান্টিলিয়ায়। ৫০টি আসন রয়েছে সেখানে।

রয়েছে আইসক্রিম পার্লার, বড় একটি মন্দিরও। বাড়িটি নকশা করা হয়েছে ক্রিস্টাল, মার্বেল এবং মুক্তো দিয়ে। বাড়িটিতে রয়েছে ৯টি লিফট। প্রতিটিই ‘সুপার ফাস্ট’। রয়েছে তিনটি হেলিপ্যাড। বাড়ির ছয়টি তলা কেবল গাড়ি রাখার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। একটার পর একটা অত্যাধুনিক গাড়ির সংগ্রহ রীতিমতো তাক লাগিয়ে দেয়। আম্বানী পরিবারে পাঁচ কোটির একটি গাড়িসহ আরও ১৬৮টি গাড়ি রয়েছে। সপ্তম তলাটি প্রাইভেট কার সার্ভিস স্টেশন হিসাবেই ব্যবহার করেন অম্বানীরা।

আপাদমস্তক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাড়িটিতে একটা অন্য ব্যাপারও রয়েছে। কৃত্রিম পদ্ধতিতে তৈরি স্নো ফ্লেক্স ঝরে পড়ে সিলিং থেকে। ম্যানসনের স্নো রুম বলা হয় সেগুলিকে। ফলে আর্দ্রতা ও তাপ দু’য়ের কোনও কিছুই বাড়ির ভেতর থেকে বোঝা সম্ভব নয়।

মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ক্রিকেটাররা অ্যান্টিলিয়ায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়ার পর বিশেষ ব্যবস্থা হিসাবে শরীরচর্চার জন্য কৃত্রিম ঘাসের গ্রাউন্ডে প্র্যাকটিস নেটও ছিল। শরীরচর্চার জন্য একটা বড় ঘরের গোটা মেঝে জুড়ে রয়েছে রানিং ট্র্যাক। – আনন্দবাজার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত