প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঝিনাইদহের ফার্মেসীগুলোতে ১৫ টাকার ঔষধ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়

মঈন মোশাররফ : ঝিনাইদহের ফার্মেসীগুলোতে ইচ্ছামতো বিভিন্ন ঔষধের দাম নেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সিজারিয়ান ঔষধগুলোর দাম যেন গলাকাটা। যে ওষুধগুলোর দাম ১৫ থেকে ২৫ টাকা তা রোগীদের কিনতে হচ্ছে ৩শ থেকে ৫শ বা হাজার টাকা দরে। এদিকে কোনো রাখ-ঢাক না করেই ফার্মেসী মালিকরা ঔষুধের দাম বেশি রাখার কথা স্বীকার করে দাবি করেন, রোগীদের স্বার্থেই সাপ্লাই কম থাকা ওষুধ বেশি দামে কিনে এনে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। ডিবিসি নিউজ

রিক্সাচালক সিরাজ উদ্দিনকে ফার্মেসী ৯ হাজার টাকার বিল ধরিয়ে দিলে, এত টাকা না থাকায় তিনি একমাত্র সম্বল নিজের রিক্সা বিক্রি করে ঔষুধের টাকা পরিশোধ করেন।

রিক্সাচালক সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিটি ওষুধের দাম বেশি রাখা হয়। ২০০ টাকার ওষুধের দাম রাখা হয় ৪০০ টাকা। আবার ৪০০টাকার ওষুধের দাম রাখা হয় ১৩০০ টাকা।

সিরাজ উদ্দিনের মতো গোপাল, নাসির বিশ্বাসসহ আরও কয়েকজন দরিদ্র মানুষ তাদের সিজারিয়ান রোগীর জন্যে এভিডিল ও সোলাস ঔষুধ কিনতে যায় ঝিনাইদহ জেলা সদর হাসপাতাল সংলগ্ন শহরের হামদহ এলাকার ফার্মেসীগুলোতে। এভিডিল নামের একটি ঔষধের দাম যেখানে মাত্র ২৫ টাকা সেখানে ফার্মেসীগুলো নিয়েছে ৩’শ টাকা থেকে ৫৭০ টাকা। কখনো বা এর থেকেও বেশি টাকা নিয়েছে। অন্যদিকে সোলাস নামের বিদেশি একটি ওষুধের দাম নেয়া হয় ৫শ থেকে ৬শ টাকা। যার দাম মাত্র ১৫ টাকা।

এদিকে বেশি দামে ঔষুধ বিক্রি করার সময় হাতেনাতে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল রোববার ফার্মেসীগুলোকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন। এ সময়, সদর হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে পাঁচ দালালকেও বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিট্রেট আবু সালেহ মো: হাসনাত বলেন, ফার্মেসীগুলোতে সিজার করা রোগীদের ২৫ টাকা মূল্যের ঔষুধ ৩০০ টাকা করে প্রতি পিস বিক্রি করা হয়। যেটা ভোক্তা অধিদপ্তর আইনের ৪০ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সম্পাদনায় : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ