প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

পরীক্ষার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

শেখ নাঈমা জাবীন : একটার পর একটা পরীক্ষা, শেষমুহূর্তের প্রস্তুতি বা রিভাইজ যখন কঠিন হয়ে পড়ে তখন কোথা থেকে তা শুরু করতে হবে সেটাও অনেকেই বুঝতে পারেননা অনেক সময়। কিন্তু আপনি চাইলে নিজের স্মৃতিশক্তি আরও বাড়াতে পারেন, সেই সাথে গভীর মনোযোগ এবং মেজাজও আরও উন্নত করতে পারেন। বিবিসি

স্নাযুরোগ রোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী এবং পুষ্টিবিদদের সম্পাদিত গবেষণালব্ধ মূল্যবান তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়েছে এখানে, পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর পরামর্শও সংযুক্ত করা হয়েছে।

নিচের টিপস গুলো আপনাকে ধারালো মেধার অধিকারী হতে এবং শেখায় উন্নতি করতে সহায়তা করবে। যেমন, বাধ্যতামূলক সকালের নাশতা এবং সাথে পুষ্টিকর খাবার। মস্তিষ্কের মনোযোগ ধরে রাখারা ক্ষমতা এবং একাগ্রতা আসে শক্তির পর্যাপ্ত, ধারাবাহিক সরবরাহ থেকে যা আসে গ্লুকোজ রূপে ।

গবেষণায় দেখা গেছে যেসমস্ত শিক্ষার্থীরা সকালের নাশতা ঠিকমত খেয়েছে তারা পরীক্ষায় তুলনামূলক ভালো করেছে।
পরীক্ষার দিন ঘনিয়ে আসার আগেভাগেই শুরু করতে হবে প্রস্তুতি যা আপনাকে রাখতে শান্ত স্থির। সকাল বেলা পড়ার চেষ্টা করুন কেননা সেইসময় ব্রেইন সতেজ এবং শিথিল থাকে। রিভিশন কখনোই পরের বেলার জন্য রেখে দেয়া সঠিক কাজ নয় কারণ দুপুর বা বিকেলের দিকে আপনি আরও বেশি ক্লান্ত বোধ করতে পারেন ।

কোন বিষয়টিতে ফোকাস করবেন সেটি ঠিক করুন। মৌখিক পরীক্ষা? প্র্যাকটিক্যাল? নাকি বিষয় ভিত্তিক? সুতরাং পরীক্ষার ধরণ বুঝে কি পরিমাণ সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি পড়তে হবে তা অনুধাবন করতে হবে।

পরিকল্পনা গ্রহণকে সময়সাপেক্ষ মনে হতে পারে কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ রিভিশন পরিকল্পনা প্রকৃতপক্ষে আপনার সময়কে বাঁচিয়ে দেবে।

‘বিরতি’ হতে পারে আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। একটি বিষয় একদিনে ১০ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে ১০ দিন ধরে এক ঘণ্টা করে পাঠ অধিক উপকারী।

‘নিজেকে যাচাইকরণ’ অবশ্যই তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার অন্যতম কার্যকর উপায়, এমনটাই বলেছেন মনোবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। এর ফলে কোনকিছু মুখস্থ করার চেয়ে তা বোঝা অনেক বেশি সহায়ক হয়।

নিজেই হয়ে উঠুন শিক্ষক। আপনি রিভাইজ দিয়েছেন, নিজেকে যাচাই করেছেন-এরপর কী? এবার গিয়ে নিজের লব্ধ জ্ঞান অন্য একজন কাউকে শেখাতে শুরু করুন, অবশ্যই। এটা আপনার স্মরণশক্তিকে উদ্দীপিত করে।

স্মার্ট হয়ে উঠুন এবং ফোনটি লুকিয়ে রাখুন। ফোনের তো অবশ্যই প্রয়োজনীয়তা আছে কিন্তু লেখাপড়ার সময় নয়। সোশ্যাল মিডিয়া এবং চ্যাট অ্যাপ্লিকেশনের টোপ আপনাকে বিভ্রান্ত করবে।

যেসব শিক্ষার্থীরা গান শুনতে শুনতে পড়াশোনা করেন তাদের তুলনায় যারা শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ লেখাপড়া করেন তাদের স্মরণশক্তি ভালো হয়।

পরীক্ষার প্রস্তুতির সময়ও নিয়মিত বিরতি, মুক্ত বাতাস এবং ব্যায়াম করা জরুরি। পরীক্ষার আগের রাতে অবশ্যই রাতে ভালো ঘুম দিতে হবে, কিন্তু সেটা পুরো রিভিশন কালীন সময়েই প্রয়োজন।

শান্ত স্থির এবং ইতিবাচক থাকুন। শেষকথা হল, পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে অবশ্যই নিজেকে পুরস্কৃত করতে ভুলে যাবেন না। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত