প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টেলিভিশন বিস্ফোরণ রোধে যেসব সাবধানতা জরুরি

বাংলা ট্রিবিউন : রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁওয়ের বিএনপি বাজারের একটি বাসায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ মে) টেলিভিশন বিস্ফোরণে আগুন লেগে স্বামী নিহত ও স্ত্রী দগ্ধ হয়েছেন। এর আগে ২০১৩ সালে কাফরুলে মা ও দুই সন্তান এবং ২০১৪ সালে তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ি বস্তিতে এক রিকশাচালক ও কালশীর সাংবাদিক আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে টেলিভিশন বিস্ফোরণে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিম্নমানের উপকরণ ও যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি টেলিভিশন সেট বিভিন্ন কারণে বিস্ফোরিত হতে পারে। অনেক সময় হাইভোল্টেজ, ত্রুটিযুক্ত বিদ্যুৎলাইন ও ওয়্যারিং, নিম্নমানের ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ ইত্যাদি হতে পারে দুর্ঘটনার কারণ। শর্টশার্কিটে বাড়িতে আগুন লেগে সেই আগুনে টেলিভিশন সেট বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। পুরনো টিভি কোনো অনভিজ্ঞ মেরামতকারীর হাতে পড়লেও এক সময় দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী ও ওয়ালটন টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফা নাহিদ হোসেনের পরামর্শ হচ্ছে, কিছু সাবধানতায় অনাকাঙ্খিত এসব দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে- বিদেশ থেকে আমদানি করা নিম্নমানের টেলিভিশন এবং দেশে তৈরি নকল ও নন ব্র্যান্ডের টেলিভিশন কেনা ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। নিম্নমানের টিভিতে কোনো কিছুই দেখা হয় না। ফলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তারা জানান, নতুন প্রযুক্তির ব্র্যান্ডের টেলিভিশনে দুর্ঘটনার ঘটার কোনো আশঙ্কা থাকে না বললেই চলে। কারণ, সেগুলো কম ভোল্টেজে চলার উপযোগী করে তৈরি হয়। আরও অনেক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তবেই বাজারে ছাড়া হয়। ধরা যাক, কোনো ব্র্যান্ডের টিভি ৪-৫ বছরের ওয়ারেন্টি দিলো। এর অর্থ হলো, সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয় যে, এগুলো কত ভোল্টে চলতে পারবে, কেবিন কোয়ালিটি কেমন, পিসিবি বোর্ড কেমন ইত্যাদি। এগুলো দেখে-শুনেই তবে ৪-৫ বছরের ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়। ফলে এই সময়ের মধ্যে টিভিতে সাধারণত কোনো দুর্ঘটনা ঘটে না।

সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত