প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ধানে ১৪ শতাংশ আদ্রতা নিয়ে গোলক ধাঁধায় কৃষক, সংগ্রহ কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা

নুর নাহার : শুধু কৃষিকার্ড আর অ্যাকাউন্ড ধারীর কাছ থেকে সরাসরি ধান কিনছে সরকার। সনাতন এই সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে কৃষক পর্যায়ের। সাধারণ কৃষক আর সরকারের ধান কেনাবেঁচার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আদ্রতা। ধানে ১৪ ভাগের বেশি আদ্রতা থাকলে শষ্য নেবে না সরকার। আর এ ১৪ ভাগ আদ্রতা কি তা নিয়ে গোলক ধাধায় কৃষক। যমুনা টিভি

মন প্রতি ১ হাজার ৪০ টাকা দরে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করেছে সরকার। তবে ধান দিতে হলে কৃষককে মানতে হতে শর্ত।
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, কৃষক ধান নিয়ে আসবে, তার আইডি কার্ড দেখাবে। কার্ড দেখে পরে দেখবো যে ধানের আদ্রতা ঠিক আছে কিনা, সর্বোচ্চ ১৪ এর ওপরে ময়েশ্চার, এর ওপরে আর নেয়া যাবে না।

তার মানে সরকারি গুদামে ধান দিতে হলে সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ আদ্রতা নিশ্চিত করতে হবে। এর বেশি হলে কৃষক পর্যায়ে ধান নেয়া হবে না। কিন্তু কৃষকেরা ময়েশ্চার কি সেটাই জানে না।

কৃষকেরা বলেন, মনে হয় ময়েশ্চার হচ্ছে ধানে ওষুধ কিভাবে মিশাতে হবে সেটা। আমরা এটি বুঝি না, যারা বোঝে তারাই ধান বেচুক।
ধানের আদ্রতার জটিল সমীকরণ বোঝেন না সরকারি কর্মকর্তারাও। সদর উপজেলার সংগ্রহ কমিটির সভাপতিও এই প্রক্রিয়াকে গোলমেলে বলছেন।

ময়মনসিংহ সদরের ইউএনও শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, আমিই কিন্তু বুঝিনা মশ্চারাইজার কি? সাধারণ কৃষকদের ১৪ শতাংশ আদ্রতা এটি বুঝার কোনো উপায় নেই। তাই আমার একটি প্রস্তাব থাকবে তারা যেনো ধানটি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি কেনার ব্যবস্থা করে। এবং তাদের যে গুদাম রয়েছে সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং ১৪ শতাংশ আদ্রতা রাখার ব্যবস্থা করে।

সম্পাদনা : মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত