প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

বরগুনায় সড়ক দূর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

জয়নুল আবেদীন, বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলী ফেরিঘাটে গ্যাঙ্গওয়ে দিয়ে ফেরীতে পিকআপ ওঠার সময় পিছন দিক থেকে ইট বোঝাই টমটমের ধাক্কায় পল্টুনে থাকা ছত্তার দফাদার (৬৫) এবং চাওড়া পাতাকাটা চৌরাস্তায় টমটম থেকে ছিটকে পরে বিশ্বজিৎ নামের ছয় বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে শনিবার রাতে।

জানাগেছে, আমতলী ফেরিঘাটে বরগুনার যাওয়ার জন্য পিকআপ ও ইট বোঝাই টমটম অপেক্ষা করছিল। শনিবার রাত আটটার দিকে গ্যাঙ্গওয়ে দিয়ে পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ন-১৩৯১৬৩) ফেরিতে উঠতেছিল। এ সময় ইট বোঝাই টমটম পিছন দিক থেকে পিকআপকে স্ব-জোড়ে ধাক্কা দেয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ ফেরির পল্টুনে উঠে যায়। এতে পল্টুনে থাকা ছত্তার দফাদার ও ফেরির ম্যানেজার পুলিন বাবু গুরুতর আহত হয়। দ্রুত উদ্ধার করে তাদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ছত্তার দফাদারকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। অপর আহত পুলিন বাবুকে সঙ্কটজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। অপর দিকে উপজেলার চাওড়া পাতাকাটা চৌরাস্তায় শনিবার সন্ধ্যায় টমটম ঘুরানোর সময় টমটম থেকে ছিটকে ওই টমটমের চাকায় পিষ্ট হয়ে ছয় বছরের শিশু বিশ্বজিৎ গুরুতর আহত হয়। দ্রুত শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ পিকআপ ও টমটম আটক করেছে। পুলিশ লাশ দুটির সুরতহাল প্রতিবেদন করে অভিভাবকের দাবীর প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।

আমতলী ফেরিঘাটের প্রত্যক্ষদর্শী খলিলুর রহমান ও জুয়েল বলেন, গ্যাঙ্গওয়ে দিয়ে পিকআপ ফেরিতে উঠার সময় পিছন দিক দিয়ে ইট বোঝাই টমটম পিকআপকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেরির পল্টুনে উঠে গেলে পল্টুনে থাকা ছত্তার দফাদার ও পুনিল গুরুতর আহত হয়েছে।

শিশু বিশ্বজিতের দাদা নিমাই শীল বলেন, ননী তার ছেলে বিশ্বজিৎকে নিয়ে আমতলী যাওয়ার জন্য টমটমে উঠে। এ সময় টমটম ঘুরাতে গেলে শিশু বিশ্বজিৎ ছিটকে টমটমের চাকায় পিষ্ঠ হয়।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিখিল চন্দ্র বলেন, আহত ছত্তার দফাদার ও শিশু বিশ্বজিৎকে হাসপাতালে আনার পূর্বেই মারা গেছে।

আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, নিহত দু’জনকেই সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে এবং চিকিৎসক মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করে মৃত্যু সনদ দিয়েছেন। পরে অভিভাবকের দাবির প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে লাশ দুটি হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত