প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়ার মুক্তির অন্তরায় নেতাদের দ্বন্দ্ব ও সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করছেন নেতাকর্মীরা

শাহানুজ্জামান টিটু : নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তহীনতা, নতুন মামলার ঝুঁকি এড়ানো, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের ব্যবস্যা বাণিজ্য নিবিঘ্ন রাখা, ঢাকা মহানগরীতে নেতৃত্বের সংকট, দীর্ঘদিন ধরে কমিটিগুলোর কার্যক্রমে স্থবিরতা, কর্মসূচি দিয়েও তা সফল না হওয়া, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, তারেক রহমানের নেতৃত্ব মানতে সিনিয়র নেতাদের দ্বিধাদ্বন্দ্ব, সিনিয়র নেতাদের গাঁ বাচিয়ে চলার কৌশল, কর্মসূচি ঘোষণার পর এতে দায়িত্বশীল নেতাদের অধিকাংশরই অনুপস্থিত, ঘরোয়া কর্মসূচি ও সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা বিবৃতির মধ্যে নেতাদের দিনের রাজনৈতিক কর্মসম্পাদন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় ৮০ভাগ নেতা নিস্ত্রিয়তার কারণে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন জোরালো করতে পারছে না বলে মনে করে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

তারা মনে করেন, বিএনপির এই ব্যর্থতার সুযোগ নিয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সরকার এক রকম নিশ্চিত যে বিএনপিতে বর্তমানে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের পক্ষে খালেদা জিয়ার মুক্তিতে বড় কোনো আন্দোলন গড়ে তোলার স্বক্ষমতা নেই। একাদশ নির্বাচনে সরকারি কৌশলের কাছে পাল্টা কৌশল নির্ধারণে ব্যর্থ হওয়ার পর ভরাডুবির পর বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্ট এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

দলের মধ্যসারির এক নেতা জানান, খালেদা জিয়া অসুস্থ জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দলের নীতিনির্ধারকরা সংবাদ সম্মেলন করে দায়িত্ব শেষ করলেন। সেখানে বিএনপির নেতারা সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বরাবরের মতই রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে শেষ করলেন। কেউ বললেন সরকার যাতে শোনে সেই ব্যবস্থা করা হবে।

অন্য আরেক নেতা বললেন, খালেদা জিয়ার বিষয়টি ডাইর্ভাট হতে পারে তাই আন্দোলন বিষয়ে আজকে কোনো কথা নয়। মজার বিষয় হচ্ছে সিনিয়র এই নেতারা বিভিন্ন সভায় সমাবেশ বলছেন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ম্যাডাম এক বছরের অধিক সময় কারাবন্দি। আমরা দেখছি আইনী লড়াই চলছে। দলের নেতারা বলছেন তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করা সম্ভব না। তারা এটা জানেন। তারপরও তারা কোনো উদ্যোগ নেন না। এটা কিভাবে সম্ভব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত