প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বললেন, মামলাজট দূর করার জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে

আমিরুল ইসলাম : বর্তমান দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ৩৪ লাখ। সারাদেশে আদালতগুলোতে থাকা মামলাজট দূর করে বিচারপ্রার্থী জনগণের দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করাই এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মামলাজট দূর করার জন্য কি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, মামলাজট দূর করার জন্য বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এতে করে অনেক মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাবে দুই-এক মাসের মধ্যেই। এটার জন্য অ্যামেনমেন্টও করেছে আমাদের দেওয়ানী কার্যবিধি আদালত।

তিনি আরও বলেন, কানাডাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিএমের মাধ্যমে ৯৫ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি করা করা হয়। উভয় পক্ষের সম্মতিতেই একটি মামলার মীমাংসা হয়ে যায় একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে, যেখানে আইনজীবীরাও থাকে। এডিএম বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা না হলে মামলার জট কমানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কে আইনজীবীদের জানতে হবে এবং জানাতে হবে। আইনজীবীরা যদি মনে করেন তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করা হলে তাদের ফি কমে যাবে, এটা সঠিক নয়। এডিআর হলে আইনজীবীরা এককালীনই চার-পাঁচ বছরে অনেক ফি পেতো। এটা তাদের জন্য সুবিধাজনক।

তিনি আরো বলেন, এডিআর হলো উভয়পক্ষ মামলা দাখিল দায়ের করার পর, অপরপক্ষ যখন জবাব দাখিল করে তখন একজন মধ্যস্থতাকারীর কাছে এই মামলাটি পাঠানো হবে এবং উভয়পক্ষের আইনজীবীরা মিলে সব ব্যবস্থা করে। এটা খুব সহজ। বাটোয়ারা মামলাগুলো দশ-পনেরো বছর যাবৎ চলে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি হলে এখানে দুই-তিন মাসও লাগবে না। আমি মনে করি আমাদের এই সমাজে দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাইলে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বা এডিআরের কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক আদালতে এখন এডিআর করার জন্য ব্যক্তিবর্গ আছে। এখন একটু প্রচার করা ও আইনজীবীরা অংশ্রহণ করলেই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কার্যকর হবে এবং মামলা তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত