প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি ঝাড়খান্ডের রাজমহলে প্রভাব পড়ছে এনআরসির

এইচ এম জামাল: আসাম ও পশ্চিম বঙ্গের মতো ঝাড়খান্ডের কোন সীমান্ত নেই বাংলাদেশের। কিন্তু রাজ্যের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় পাকুর ও সাহিবগঞ্জ জেলায় বিজেপি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে সারা দেশে এনআরসির মতো নাগরিকদের তালিকা তৈরি করা হবে এবং এর মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো হবে। তাদের এ ঘোষণায় এই জেলাগুলোতে বিভাজন তৈরি হয়েছে। সাউথ বাংলামনিটর

ঝাড়খান্ডের রাজমহল এলাকার অধীনে উপজাতীয় প্রধান সানথাল পরগনা, পাকুর আর সাহিবগঞ্জে ভোট হবে ১৯ মে। এই জেলাগুলোর পূর্বদিকের বসতিগুলোর অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ আর মালদা জেলার পাশেই। সাহিবগঞ্জের একটি এলাকা গুমানি – যেটা ফারাক্কা থেকে ২০ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানকার ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ মুসলিম, যাদের আদি বসতি হলো বাংলাদেশ আর পশ্চিম বঙ্গ।

গুমানির মূল বাজারের ৪০ বছর বয়সী চা বিক্রেতা এনামুল হক টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, “১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় আমাদের অনেকে ভারত চলে আসে। তখন থেকেই এখানে বাস করে আসছি আমরা। আমরা ভারতের নাগরিক এবং অন্যদের মতোই গর্বিত ভারতীয়”। গুমানিদের জনসংখ্যা গত ১৫ বছরে অনেক বেড়েছে। এখানকার অধিকাংশ মানুষই অভিবাসী শ্রমিক এবং তাদেও ছোটখাটো ব্যবসা রয়েছে এখানে।

পাকুর জেলার তিন পাহাড় এলাকায় উষ্ণ বিকেলে তিন পাহাড় রেলওয়ে স্টেশানের পাশে নিজের পানের দোকানে বসে হিন্দি দৈনিকে রাজনৈতিক লেখা পড়ছিলেন করিম শেখ। প্রশ্নের জবাবে সতর্কভাবে জানালেন তিনি, এখানে কোন অবৈধ অভিবাসী নেই। আমরা সবাই ভারতের নাগরিক এবং বৈধ ভোটার”। তিন পাহাড়ে মুসলিম ও হিন্দু উভয়ই রয়েছে ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত