প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ধানের চাষ বাদ দিয়ে কৃষক করছে নীল চাষ

আসিফ কাজল : একটা সময় ছিল যখন বৃটিশরা জোর পূর্বক কৃষকদের দিয়ে নীল চাষ করাতেন, বর্তমানে ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় রংপুরে কিছু এলাকায় কৃষকরা নিজ উদ্যোগে নীল চাষ করছেন। যা জাতির জন্য ভাবনার বিষয়।
শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ অটো রাইসমিল ওনার্স এসোসিয়েশন ও কৃষকদের যৌথ আয়োজনে এ কথা বলেন বাংলাদেশ অটো রাইসমিল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি একেএম খোরশেদ আলম।

কৃষক বাঁচাও, দেশ বাঁচাও ও ধানের ন্যায্যমূল্যের দাবিতে একাধিক কৃষক বলেন, ধানের দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক ধানী জমিতে আম, লিচুর বাগান করেছেন। ধানের মূল্য যদি ৮০০-১০০০ টাকা করা হয় তবে আমরা খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারবো। এ সময় কৃষকেরা সরকারের কাছে বেশকিছু দাবি জানান। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. শক্তিশালী কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত কৃষক সনাক্ত করা।
২. শতকরা ২ ভাগ হারে কৃষি ঋণ বিতরণ করা।
৩. কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও কৃষি সমবায় সমিতির মাধ্যমে ৫ থেকে ৭ বছর মেয়াদী বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ সরবরাহ করা।
৪. কৃষকের সেচের বিদ্যুৎ বিল ইউনিট প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা নির্ধারণ করা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশের সিডিউল ব্যাংকগুলো কিছু সংখ্যক রাইসমিল মালিকদের ২০ কোটি টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত চলতি মূলধন প্রদান করেছে। আর শতকরা ৯০ ভাগ রাইসমিল মালিকদের জন্য ব্যাংক ঋণ দিয়েছে মাত্র ৫০ লক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকা। এমন অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে দেশের ৭০ ভাগ রাইসমিল ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এসময় মিল মালিকরা বলেন, ২০০৫ সাল থেকে দেশে অটো রাইসমিল সৃষ্টি হওয়ার পর বিগত ১০-১২ বছর ধান ও চালের দাম স্থিতিশীল ছিল।

এ সময় সরকারের কাছে অটো রাইসমিল এসোসিয়েশন ৫ টি দাবি করে দাবি জানান। দাবিগুলো যথাক্রমে ১. বন্ধকৃত অটো রাইসমিলগুলো ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ করে রিসিডিউলের মাধ্যমে ২৫ থেকে ১০০ কোটি টাকা চলতি মূলধন প্রদান করতে হবে। ২. সুদের হার কৃষি শিল্প হিসেবে ৪ থেকে ৫ ভাগ হারে নির্ধারণ করতে হবে। ৩. বিদ্যুৎ বিল কৃষি শিল্প হিসেবে ৪ থেকে ৫ টাকা ইউনিট নির্ধারণ করতে হবে। ৪. বিদেশ থেকে আপাতত চাল আমদানীর উপর শুল্ক হার শতকরা ২৮ ভাগ হইতে বাড়িয়ে শতকরা ৪০ ভাগ উন্নত করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত