প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

পানি সংকটে রাজধানী মালিবাগের ৫০ হাজার বাসিন্দা ওয়াসার পানি কিনছে অতিরিক্ত দামে

নুর নাহার : কয়েক মাস ধরে পানি পাচ্ছেন না রাজধানীর মালিবাগের বকশীবাগ এলাকার অন্তত ৫০ হাজার বাসিন্দারা। ফলে চরম দুর্ভোগে এসব মানুষ। প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হয়ে ওয়াসার পানি কিনছেন অতিরিক্ত দামে। তারা বলছেন, এলাকায় একটি নতুন পাম্প বসালেই কেটে যাবে এই সংকট। -চ্যানেল ২৪

আগে চিন্তা করতে হতো দিন দুনিয়ার এখন চিন্তা করতে হয় পানির। এই পানিই এখন আমাদের কাছে সোনার হরিণের মতো। পানির জন্য রাত দুটা পর্যন্ত বসে থাকতে হয়। পানি না থাকার এমন ক্ষোভ মালিবাগের বকশিবাগের প্রতিটি ঘরে। কয়েকমাস ধরে পানি পাচ্ছেন না এখানকার ৫০ হাজার মানুষ। দিনের বেশিরভাগ সময় যারা অপেক্ষায় থাকেন ওয়াসার পানি ভর্তি গাড়ির জন্য। অভিযোগ, এজন্য অতিরিক্ত দাম দিতে হয়।

স্থানীয়রা বলেন, তিন মাস ধরে বাসায় পানি আসে না। বাড়িওয়ালা পানি কিনে এনে আমাদের পানি দেয় কিন্তু এভাবে কি মানুষ বসবাস করতে পারে? রোজা রেখে গোসল করতে পারি না, নামাজ পড়তে পারি না। অনেক জায়গা থেকে পানি আনতে গিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়। তার পরও পানি দেয় না ফেরত দিয়ে দেয়।

স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, প্রতি গাড়ি ওয়াসা পানির মূল্য হচ্ছে ৬০০ টাকা। কিন্তু আমরা দিচ্ছি ১১‘শ টাকা। এর পরও সঠিকভাবে আমাদের পানি দিতে পারে না।

বকশিবাগে রয়েছে চারটি মসজিদ। সেখানেও নেই পানি। এতে চরম বিপাকে মুসল্লিরা।
এই এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য রয়েছে ওয়াসার দুটি পাম্প। এর মধ্যে মারুফ মার্কেটের সামনের পাম্পটি অকেজো আর উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেছে গুলবাগের পাম্পটির। ফলে এই সংকট তৈরী হয়েছে।

বাসিন্দাদের দাবি, স্থানীয় আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে গণপূর্তের জায়গায় একটি পাম্প স্থাপনের।
গুলবাগ-১ মালিবাগ পাম্প অপারেটর শফিকুল ইসলাম বলেন, যে পানি ওঠে তা দিয়ে গুলবাগ এলাকায় হয় তাই মালিবাগের বকসিবাগে যাওয়া সম্ভব হয় না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর গোলাম আশরাফ তালুকদার বলেন, অকেজো হওয়া পাম্পটি সারাতে এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এখন পানির পাম্প বসানো হবে। আর বর্তমান সমস্যা সমাধানের জন্য আরএফএলএর মাধ্যমে কিছু লাইন বসানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি পানি আসবে।
সম্পাদনা : জামাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত