প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

‘উল্টোপাল্টা’ চলে রেলসেবা অ্যাপ, নিম্নমানের আখ্যা দিয়ে এতে ঈদ টিকেট বিক্রি অসম্ভব মন্তব্য প্রযুক্তিবিদদের

হ্যাপি আক্তার : টাকা পরিশোধ করার পরও টিকেট না পাওয়া, অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেয়া কিংবা কাঙ্ক্ষিত দিনের টিকেটের পরিবর্তে অন্যদিনের টিকেট দেয়ার মতো অভিযোগ পাওয়া গেছে ‘রেলসেবা’ অ্যাপ ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে। পর্যাপ্ত সময় না দেয়ায় অ্যাপটি উপযুক্তভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সিএনএস। এই অ্যাপের মাধ্যমে ঈদ টিকেটের ৫০ শতাংশ বিক্রি সম্ভব নয় চলে আশঙ্কা প্রযুক্তিবিদদের। ঈদের আগাম টিকেট বিক্রি শুরুর আগেই অ্যাপটি কার্যকর করার আশা মন্ত্রণালয়ের। সময় টেলিভিশন।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার জন্য সদ্য চালু হওয়া ‘রেলসেবা’ অ্যাপের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহের চেষ্টা করেন এক যাত্রী। পর পর তিন বার টিকেট কিনতে ব্যর্থ হলেও প্রতিবারই টিকেটের দাম কেটে নেয়া হয় তার কাছে। এভাবে ৭৪৫ টাকার টিকেটে ২ হাজার ২০০ টাকা কেটে নিলেও, মেলেনি টিকেট। টাকা ফেরত পাওয়া নিয়েও শঙ্কা তার।

এই যাত্রীর মতো ভোগান্তির অভিজ্ঞতা অ্যাপ ব্যবহারকারী আরো অনেকের। ট্রেন চলে যাওয়ার পর টিকিট প্রাপ্তি, চাহিদার দু-তিন দিন পরের টিকেট সরবরাহ করার অভিযোগ যাত্রীদের। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে টিকেট পাওয়া তো দূরের কথা অ্যাপে প্রবেশ করাই যেন বড় চ্যালেঞ্জ।

যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ভেরিফিকেশন কোডটা না হলে তো অ্যাপটা ওপেনই হবে না। সেই ভেরিফিকেশন কোডটা আমার মোবাইলে আসছেই না। অ্যাপে ঢোকা যাচ্ছে না। তাছাড়া দ্রুতযানের টিকেটের সাথে একতা এক্সপ্রেসের টিকেটও কাটা হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া লাগবে একটা, কাটা হয়ে যাচ্ছে দুটা। ৪ তারিখের টিকেট চাইলেও দেয়া হয়েছে ৫ তারিখের টিকেট। আরেক যাত্রী জানান, ইনস্টল করে কাজ না হওয়ায় ডিলিট করে দিয়েছেন অ্যাপটি।

ঈদ উপলক্ষ্যে দিনে ২৭ হাজার আগাম টিকেট বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে রেলওয়ে, যার প্রায় ১৪ হাজারই বিক্রি হবে নতুন এই অ্যাপের মাধ্যমে।
রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলছিলেন, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা টিকেট সংগ্রহ করতে পারবে। তারা ঘরে বসেই সে সেবা তারা নিতে পারবেন।

এই অ্যাপটির কোনো ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্টই নেই বলে জানিয়ে আই পে’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জাকারিয়া স্বপন বলেন, মানুষ এখনই এটা ব্যবহার করতে পারছে না, ঈদে ৫০ শতাংশ টিকেট কিভাবে বিক্রি করবে। দেখা যাবে এর মাধ্যমে আরও বেশি কালোবাজারি হচ্ছে।

সিএনএস’র পরিচালক ইকরাম ইকবাল টেলিফোনে জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত ছিলো ২৮ তারিখে এই অ্যাপটা উদ্বোধন করা। তাড়াহুড়া করে একটা অ্যাপ বানানো হয়েছে, এটাও ঠিক। আমি শুধু এটুকু বলবো, সময় পেলে আরও ভালো হতো। আমরা যে কারিগরী কাজগুলো করেছি তা খুব দ্রুত করতে হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরাও এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে এগিয়েছি। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত