প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

গোলযোগে পশ্চিমবঙ্গের ৯টি লোকসভা ভোট ছ’মাস বন্ধ রাখার সুপারিশ ইসির

মুসবা তিন্নি : ১৪ মে রাতে বিজেপি সভাপতির রোড শো ঘিরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ধুন্ধুমার কাণ্ড হয়। বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙা হয় বিদ্যাসাগরের মূর্তি। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপি কর্মীদের দিকে। আনন্দবাজার

গত মঙ্গলবার রাতে উত্তর কলকাতায় অমিত শাহের রোড-শো ঘিরে গোলমালের পরে রাজ্যের বাকি ৯টি লোকসভা কেন্দ্রের ভোট ছ’মাসের জন্য স্থগিত করে দিতে চেয়েছিলেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক এবং বিবেক দুবে। কমিশনের অন্দরে পরিস্থিতি এতটাই ঘোরাল হয়ে উঠেছিল, যে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ‘বার্তা’ পাঠান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার কাছে। পরের দিন সকালে দিল্লি ফিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অমিত। পাশাপাশি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে বিজেপি প্রতিনিধি দল অরোরার সঙ্গে দেখা করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা ও দুই বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবের বিরুদ্ধে সরব হন।

তার পরেই অন্য দুই কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে বসেন অরোরা। কলকাতা থেকে যোগ দেন অজয় নায়েক, বিবেক দুবে এবং আরিজ আফতাব। বৈঠকের শুরুতেই অরোরা দুই পর্যবেক্ষকের ভ‚মিকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। নির্বাচন সদনের বক্তব্য ছিল, ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য তাঁদের পাঠানো হয়েছে। অথচ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাঁদের বিরুদ্ধেই কথা বলে যাচ্ছে। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়, শেষ দফার ভোট অবাধ হবে কি না? যা শুনে অজয় জানান, প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। তার পরেও শান্তিতে ভোট হবে তা হলফ করে বলতে পারবেন না তিনি। এই অবস্থায় ছ’মাস ভোট স্থগিত করার পরামর্শ দেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক। এখন প্রশ্ন হল, গত ছ’দফা নির্বাচনে এ রাজ্যের বিরোধী দলগুলি হিংসা এবং রিগিংয়ের বিস্তর অভিযোগ জানালেও, এমনকী প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও ভোট ‘খুবই শান্তিপূর্ণ’ হয়েছে বলে দাবি করেছিল নির্বাচন কমিশন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত