প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা ও কর্তৃত্ববাদ

দীপক চৌধুরী : আজ ১৭ মে ২০১৯, শুক্রবার। বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার, প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৩৯তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসন শেষে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তাঁর নির্বাসনের কারণ আমরা সবাই জানি। কারণ, দেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট।

এইদিন নরঘাতকরা ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এসময় বিদেশে থাকায় সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ ৩৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের এ পথচলা কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, ছিল কণ্টকাকীর্ণ ও বিপদসংকুল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে ঘাতকগোষ্ঠী। বাঙালি জাতির জীবনে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে ঘোর অমানিশার অন্ধকার। ঠিক এমনি ক্রান্তিলগ্নে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫, ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ডাক আসে দেশ-মাতৃকার মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর প্রবন্ধের এক জায়গায় একবার লিখেছিলেন, ‘বাধা পেলে শক্তি নিজেকে চিনতে পারে, চিনতে পারলেই আর তাকে ঠেকানো যায় না।’ স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার ‘রাজনৈতিক যুদ্ধে’র এ যাবতকালের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে সেই সত্যের সন্ধান মিলে।

১৭-মে উপলক্ষে, আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া দলের কর্মসূচি জানিয়েছেন। দিনটি উপলক্ষে বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে। দেশের খ্যাতিমান নাগরিক, জাতীয় নেতা ও গুণীজনেরা এর ওপর বক্তব্য রাখেবেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী ও দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৮১ সালের ১৭ মে ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্রুতে অবগাহন করে শেরে বাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’ তিনি বলেছিলেন, ‘আমার আর হারাবার কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেল সকলকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আমি আপনাদের মাঝেই তাদেরকে ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চাই, বাঙালি জাতির আর্থ-সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’ তিনি আরো বলেছিলেন, ‘জীবনে ঝুঁকি নিতেই হয়, মৃত্যুকে ভয় করলে জীবন মহত্ব থেকে বঞ্চিত হয়’। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে যে শক্তি তিনি সৃষ্টি করেন তা সামরিক জান্তা ও স্বৈরাচারেরা কল্পনাও করতে পারেনি।

বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বকে ভয় পায় ঘাতকগোষ্ঠী। খুনি সামরিক জান্তা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনাকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

যেদিন তিনি দেশে ফিরে আসেন সেদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা শহর মিছিল আর ¯শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়। প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি লক্ষ লক্ষ মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি সেদিন। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও শেরেবাংলা নগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখতে সেদিন সারা বাংলাদেশের মানুষের গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। স্বাধীনতার অমর ¯শ্লোগান, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় বাংলার আকাশ-বাতাস। জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম- পিতৃ হত্যার বদলা নেব’। ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’।

দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধুহত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হৃত গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।

ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নিরবচ্ছিন্ন দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তাঁর একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলম, অত্যাচার কোনোকিছুই তাঁকে তাঁর পথ থেকে টলাতে পারেনি এক বিন্দু- শত প্রতিক‚লতাতেও হতদ্যোম হননি কখনো। বাংলার মানুষের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বারবার স্বৈরাচারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেছেন, আবিভর্‚ত হয়েছেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা রূপে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ ৩৮ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ যে মাত্রায় নিয়ে গেছেন সেখানে বিশ্ব পরিসরেও এসেছে সাফল্য, খ্যাতি। নিজেও অভিষিক্ত হয়েছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীদের কাতারে। শুধু কি ক্ষমতার রাজনীতি? মনুষ্যত্বের জয়গানে, মানবিক মূল্যবোধে আজ তিনি মানবতার জননী। বাস্ত্যুচ্যুত, দেশত্যাগী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে আশ্রয়দানই শুধু নয়, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক অধিকারের মাত্রায়ও। শেখ হাসিনার ওপর জরিপ করা সিংহভাগ প্রতিবেদনই বিশ্ব পরিসরের, বাংলাদেশের নয়। বিশ্ব নারী নেতৃত্বের শীর্ষ স্থানে আসা যা কিনা যুক্তরাষ্ট্রভিক্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ ‘গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ এ্যাওয়ার্ড’ কর্তৃক বিবেচিত, সেখানে শেখ হাসিনাকে সম্মানিত করা হয়েছে শুধুমাত্র নিজেকে যোগ্যতম করে তোলার জন্য নয়, তার চেয়েও বেশি বাংলাদেশের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া নারীদের অনেকখানি এগিয়ে দেয়ার কারণেও। ফেনীর নুসরাত হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের কঠোর নির্দেশ, পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার ভয়ংকর আগুনের পর রাত জেগে তদারকি করা, বা বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সারাক্ষণ মনিটরিং ও উদ্বিগ্নতা, ছাত্রলীগের বিতর্কিতদের কমিটি থেকে বাদ দিতে শেখ হাসিনার নির্দেশের মতো শত ঘটনা তুলে ধরা যাবে এই নিবন্ধে। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী অথচ ছোট-বড় যেকোনো ঘটনা তাঁর নজর এড়াতে পারে না। দেশের কোথায় কী হচ্ছে এর খোঁজ যেন রাখতেই হয়। অথচ এই বাংলাদেশে তা ছিল কল্পনাতীত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে। সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। জলে-স্থলে-অন্তরিক্ষে আজ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

‘‘রূপকল্প ২০২১’’ এর মধ্যম আয়ের বাংলাদেশকে ‘‘রূপকল্প ২০৪১’’ এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত, আধুনিক, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনে বঙ্গবন্ধু-কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সততা, মেধা, দক্ষতা ও গুণাবলিতে সমসাময়িক বিশ্বের অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বীকৃতি পেয়েছেন। আপন কর্মমহিমায় হয়ে উঠেছেন, নব পর্যায়ের বাংলাদেশের নতুন ইতিহাসের নির্মাতা; হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কাণ্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার- বাঙালির আশা-আকাক্সক্ষার বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্ন-সারথী। বিশ্বরাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা- আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়ে পড়া দেশ-জাতি জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবে বিশ্বনন্দিত নেতা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির কথা সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

দেশ চালাতে ও নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা মানুষ তাঁর মধ্যে দেখতে পায়। মানুষ চায় এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। রাজনৈতিক গবেষকদের মতে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই শেখ হাসিনার স্পষ্টবাদী মনোভাবের পেছনে রয়েছে গভীর দেশপ্রেম। বাংলাদেশ যে আজ একটি রোল মডেল এটা অনেকেই বুঝতে চান না, আর বুঝলেও স্বীকার করতে চান না। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’- মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী- মানবতার জননী, আত্মশক্তি-সমৃদ্ধ সত্য-সাধক। প্রগতি-উন্নয়ন শান্তি ও সমৃদ্ধির সুনির্মলমো- মোহনা। এক কথায় বলতে গেলে সাগর সমান অর্জনে সমৃদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কর্মময় জীবন।

গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রাম করার অপরাধে তাঁকে বারবার ঘাতকদের হামলার শিকার ও কারা নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। কিন্তু তিনি নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে ছিলেন পিতার মতোই অবিচল, দৃঢ় ও সাহসী। জনগণের ভালবাসায় অভিষিক্ত হয়ে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থ বারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়ে তিনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের কল্যাণে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন।

১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এরপর ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে গত ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয় মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে পরপর তিন বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এবং চার বার প্রধানমন্ত্রী থাকার নজির আর কারও নেই। বাংলাদেশের তিনটি জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদে, ১৯৯১ সালে পঞ্চম এবং ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

লেখক : উপ-সম্পাদক, আমাদের অর্থনীতি ও কলামিষ্ট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত