প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাজারে অনিয়ন্ত্রিত পলিথিনের সরবরাহ

তানজিনা তানিন : সারাদেশে বিভিন্ন প্রকার শপিংব্যাগ ব্যবহারকারীর শতকরা ৮০ ভাগই পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করছেন। পুরনো ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পর্যন্ত নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে কয়েক শ’ পলিথিন কারখানা। একাধিক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে পলিথিনের উৎপাদন। এর মাধ্যমে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। অথচ নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের উৎপাদন ও বাজারজাত করার বিরুদ্ধে ১০ বছর কারাদ- ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দ-ের বিধান রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও নিয়মিত তদারকির অভাবে পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার আগের অবস্থায় চলে এসেছে। নিষিদ্ধ হওয়ার প্রথমদিকে এর বিরুদ্ধে ইতিবাচক সাড়া মিললেও ব্যবহার বন্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা না নেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সাধারণ মানুষ বলছে, পলিথিন যেন এখন বাস্তবতা। পলিথিন ছাড়া কোনভাবেই চলা সম্ভব নয়। পলিথিনের যেসব বিকল্পের কথা বলা হচ্ছে তা খুবই অপ্রতুল। এসব বিকল্প দিয়ে এতো ব্যাপক চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। কারো কারো মতে ব্যাপক চাহিদার কারণেই ঠেকানো যাচ্ছে না পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এই পলিথিন। মানুষের নিত্যসময়ের সঙ্গী এই পলিথিন। সবকিছুতেই এর ব্যবহার এতো ব্যাপক যে বিকল্প কোন কিছুতেই এর চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। তাদের মতে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি পলিথিন ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও ভাবতে হবে। উন্নত বিশ্বে নিষিদ্ধ না করেও শুধু পলিথিন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে মুক্ত রাখা হয়েছে। প্রতিবেশী ভারতেই পলিথিন ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা কর্মসূচী চালানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু পলিথিন কেন, সকল প্রকার প্লাস্টিক সামগ্রীই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। পলিথিন নিষিদ্ধ হলেও বর্তমান যুগে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ সম্ভব নয়। এ কারণে পলিথিন এবং প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনার দিকে কঠোর নজর দিতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত