প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রত্যাহার করা ৫২টি পণ্য দোকান থেকে না সরালে কী ব্যবস্থা

জাবের হোসেন : বাংলাদেশে বিএসটিআই এর পরীক্ষায় নিম্নমানের বলে প্রমানিত ৫২টি ভোগ্যপণ্য ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য সংবাদপত্রে একটি নোটিশ দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি এসব পণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নেয়া না হয়, তাহলে কী শাস্তির বিধান রয়েছে? বিবিসি
নিয়মিত বাজার করতে যাওয়া নাজিয়া পারভিন বলছেন, আমাদের চিন্তা করতে হয় কোনটির মেয়াদ আছে বা নেই, এখন এটাও মাথায় রাখতে হবে কোনটি মানসম্মত আর কোনটি নিম্ন মানের। এটা কি সম্ভব এই ৫২ পণ্যের তালিকা মনে রাখা?
তানিয়া ফেরদেসি বলেছেন, সুপারশপে না হয় তবু একজন কাউকে ধরা যায়কৈফিয় দেবার জন্য। কিন্তু আমরা যারা নিউমার্কেট বা হাতিরপুল থেকে বাজার করি, আমরা কাকে ধরবো। দোকানদার তো বলে দেয় যে এটা কোম্পানি দিয়েছে!
এসব পণ্য বাজার থেকে সরাতে কী পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেই প্রেক্ষাপটেই বৃহস্পতিবার নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম লস্কর।
নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে তুলে না নিলে অভিযান চালাবে কর্তৃপক্ষ। সময়সীমা শেষ এরপর আমরা এগুলো বন্ধে অভিযান শুরু করবো। সনাক্ত করে বাজেয়াপ্ত ও ধ্বংস করার ব্যবস্থা করবো আমরা। ইতিমধ্যেই অনেকে আইন মেনে পণ্য প্রত্যাহার করেছেন, যেমন ওয়েল ফুড।

এই ৫২ পণ্যের উৎপাদন বিতরণ ও বিপননের সঙ্গে যারা যুক্ত রয়েছেন তাদের মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই নিজেদের পণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করেছে।

বিএসটিআই এর নিম্নমানের পণ্যের তালিকায় এইসিআই গ্রুপের দুইটি পণ্য রয়েছে এসিআইয়ের আয়োডিনযুক্ত লবণ এবং এসিআই পিওর ব্র্যান্ডের ধনিয়া গুড়া। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে ইতিমধ্যেই নিজেদের পণ্য সরিয়ে নেবার ব্যবস্থা করেছে তারা।
এসিআই কনসস্যুমারস ব্রান্ডের একজন পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, আমাদের লবনের একটি ব্যাচে সমস্যা ছিল, সেটা আমরা প্রত্যাহার করে নিয়েছি। এক ব্যাচে সাধারণ এক লাখ কেজি পন্য থাকে, এটা ফেব্রুয়ারি মাসের লবন ছিল। লবন খুব ফাষ্ট মুভিং পণ্য, বেশির ভাগ বিক্রি হয়ে গেছে, আমরা বাজারে খুব অল্পই পেয়েছি, যা পেয়েছি তুলে নিয়েছি। আর মসলা আমাদের খুবই কম বিক্রি হয়, সেটাও কমই ছিল।

জনস্বার্থে মামলা লড়েন সুপ্রীম কোর্টের এমন একজন আইনজীবি অমিত দাসগুপ্ত এসম্পর্কে বলেন, বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য আইন আছে ২০১৩ সালের। এর অধীনে খাবারের মান নিম্ন হলে কিংবা খাদ্যে ভেজাল থাকলে তার জন্য শাস্তির বিধান আছে। ভেজালের জন্য ধরণ অনুযায়ী তিন থেকে পাঁচ বছর কারাদন্ড এবং সর্বোচ্চ ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

এছাড়া যথাসময়ে এখনকার হাইকোর্টের নির্দেশণা না মানলে যে আইনানুগ ব্যভস্থার কথা বলা হয়েছে তার এসব আইনের অধীনেই হবে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনেও খাদ্যে ভেজালের শাস্তি হতে পারে, সেখানে মুত্যুদন্ডের কথা বলা হয়েছে। মস্পাদনা- কায়কোবাদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত