প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতের নির্বাচনে ‘সাইবার যোদ্ধাদের’ আধিপত্য

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতের চলমান লোকসভা নির্বঅচন আকার, সময় আর ব্যয়ের হিসেবে বিশে^র বৃহত্তম নির্বাচন। প্রতিবার এই নির্বাচনে কথার মারম্যাচ, শো-ডাউন এমনকি বলিউডকে যোগ করে ভিন্নমাত্র দেওয়া হয়। এবার প্রতিটি দল এসবের পাশাপাশি ব্যবহার করছে সাইবার যোদ্ধাদের। অরলাইনে দলের পক্ষে এবং বিরোধীপক্ষের বিরুদ্ধে পোস্ট করে বা ঘৃণাসূচক মন্তব্য ছড়িয়ে রীতিমত যুদ্ধে নেমেছেন এই যোদ্ধারা। এদের সামলাতে গলদঘর্ম হয়ে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। এএফপি।

কমিশন জানিয়েছে, তারা বেশ কয়েক দফায় ইউটিউব, ফেসবুক এবং টুইটার থেকে হাজারো পোস্ট অপসারণ করেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি মহাসাগর থেকে এক বিন্দু জল তুলে নেওয়ার তুল্য। অনলাইনে কোটি কোটি পোস্ট রয়েছে, যা ভোটারদের বিচ্যুত করতে যথেষ্ট। ক্ষমতাসীন বিজেপি এবং বিরোধীদল ‘সাইবার যোদ্ধাদের’ রীতিমত বড়সড় বাহিনী মাঠে নামিয়েছে। ফলে নির্বঅচন পরিনত হয়ে তিক্ক সাইবার যুদ্ধে। দুইপক্ষই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নোংরা ব্যবহারের মাধ্যমে কাঁদাছোড়াছুড়ির অভিযোগ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী উভয়েই শিকার হচ্ছেন এই নোংরামির। মোদীকে কংগেসের যোদ্ধারা সম্বোধন করছেন চোর বলে। আর রাহুলকে সম্বোধন করা হচ্ছে পাপ্পু বা গর্ধভ বলে। মজার বিষয় হলো রাহুল নিজেই একাধিক জনসভায় মোদীকে ইঙ্গিত করেছেন চোর বলে আর মোদী পাপ্পু বলেছেন রাহুলকে। তবে অনলাইনে বক্তব্যের কোন শিষ্ঠাচার থাকছে না।

এর চেয়েও ভয়ঙ্কর কনটেন্ট তৈরী করা হচ্ছে। রাহুলের মিছিলে ফটোশপ করে লাগানো হচ্ছে পাকিস্তানের পতাকা। কিংবা মোদী ইমরান খানের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন। এই সব ছবির আদি উৎস অজানা। তবে এগুলো নকল সেটি সন্দেহাতীত। বিশ্লেষকরা বলছেন এই নকল ছবি বা ভুঁয়া খবরগুলো নির্বাচনে রাজত্ব করবে।

এশিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঙ্গীতা মহাপাত্র এই বিষয়ে বলেন, ‘২০১৯ সালের নির্বাচনকে অ্যাপ ভিত্তিক নির্বঅচন বলা যায়। ভোটাররা ফেসবুক, টিকটক, শেয়ার চ্যাট, টুইটার, ইউটিউব, হোয়াটস অ্যাপ, ইন্সটাগ্রাম দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত