প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোজাবস্থায় বমি হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই

আমিন মুনশি : রোজা অবস্থায় বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না- এ নিয়ে অনেকেই আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে থাকি। আসুন, এ সম্পর্কে জেনে নিই শরিয়তের নির্দেশনা : বমির পরিমাণ বেশি হোক বা কম, সেটা খাদ্য বমি হোক বা রক্ত বমি, মনে রাখতে হবে রোজা হলো পানাহার না করার নাম।

বমি হলে তো পানাহার করা হয় না; বরং তার বিপরীত হয়। বমি হওয়ার পর রোজা পালনে সক্ষম হলে তা পূর্ণ করতে হবে। আর অক্ষম হলে রোজা ছেড়েও দিতে পারবে। পরে এই রোজা কাজা আদায় করে নিতে হবে, কাফফারার প্রয়োজন হবে না। তবে বমি মুখে আসার পর তা গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলেও রোজা ভঙ্গ হবে। তখন কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। অনুরূপভাবে কোনো কারণে অজ্ঞান হলে (যাতে সাধারণত রোজার বিপরীত কিছু ঘটে না) তাহলেও রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে দুর্বলতা বা অসুস্থতার কারণে প্রয়োজনে পানাহার বা ওষুধ সেবনে রোজা ভাঙলে পরে কাজা আদায় করে নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বমি হওয়া ও অজ্ঞান হওয়া অজু ভঙ্গের কারণ; রোজা ভঙ্গের কারণ নয়। (সূত্র : ফাতওয়ায়ে তাতারখানিয়া; ফতওয়ায়ে হিন্দিয়া)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত