প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাক-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, সৌদি আরব অবশ্য কিছুটা সহায়

ফাতেমা ইসলাম : যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাকিস্তানের দীর্ঘ, ঘনিষ্ঠ ও টালমাটাল সম্পর্ক দেশটির ইতিহাসের উপর একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে। সবশেষ সম্পর্কের ধাপটা ছিল ‘সন্ত্রাস-বিরোধী যুদ্ধের’ প্রশ্নে জোট গঠন, ২০১৭ সালের আগস্টে যার ইতি ঘটেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, কোয়ালিশান সাপোর্ট ফান্ড ছাড় করা বন্ধ করেন এবং আফগানিস্তান প্রশ্নে পাকিস্তানের সহায়তার দাবি জানান। সাউথ এশিয়ান মনিটর

মার্কিন-তালেবান আলোচনার ব্যাপারে মধ্যস্থতার জন্য ইসলামাবাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তালেবানরা কাবুলের কথিত ‘পুতুল’ সরকারের সাথে আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

পাকিস্তানকে তাদের সহায়তার বদলে বাস্তব কিছু প্রতিদানের কথা বলেনি। মার্কিন দাবির তালিকা আরও বেড়েছে। পুলওয়ামা হামলার সময় ও পরে যুক্তরাষ্ট্র নিজে এবং জাতিসংঘ ও এফএটিএফের মাধ্যমে লস্করে তৈয়বা এবং জয়শ-ই-মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাওলানা আজহারকে জাতিসংঘের সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে চাপ বাড়িয়েছে।

পাকিস্তানের প্রতি আমেরিকার নতুন শত্রুতার কারণ হলো মূলত উদীয়মান বৈশ্বিক প্রতিদ্বদ্বী চীনের সাথে তাদের শত্রুতা।
পাকিস্তানকে যদি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমতার সম্পর্ক তৈরি করতে হয়, তাহলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিকে এবং অর্থনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার শক্তি অর্জন করতে হবে তাদের। এ জন্য পাকিস্তানের একটা শক্তিশালী ও জাতীয়তাবাদী সরকার এবং চীনের সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।

সৌদি আরব ও আরব আমীরাতের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক পুনপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সহযোগিতা স্থাপনের একটা পরোক্ষ উপায় সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতে সৌদি ও আরব আমীরাতের বিনিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন কর্পোরেশানগুলোর সাথে পাকিস্তানের সেতুবন্ধন তৈরি ছাড়াও তেল ও গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে সংযোগ তৈরি হবে। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত