প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভুগর্ভস্থ জাদুঘর থেকে নির্মলেন্দু গুণের ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো ’ উধাও

দেবদুলাল মুন্না: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভের সাথে রয়েছে ভূগর্ভস্থ জাদুঘর।প্লাজা চত্বরে টেরাকোটা ম্যুরালের নিচের অংশে এ জাদুঘরের অবস্থান।জাদুঘরে ঢুকলেই যে হলঘর চোখে পড়বে তাতে মিলবে অসংখ্য ছবি।৬৬’র ছয়দফা আন্দোলন, ৬৯’র গণ-আন্দোলন সকল বিষয়ে সুষ্পষ্ট ধারনা লাভ করা যাবে এ অংশে নজড় দিলে।পর্যায়ক্রমিক যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।’ ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো ’ নির্মলেন্দু গুনের সেই বিখ্যাত কবিতা বিশেষ ভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল দেয়ালের এ অংশে।কিন্তু এ কবিতাটি এখন উধাও হয়ে গেছে।তবে কবে কখন কারা উধাও করেছে এ ব্যাপারে জাদুঘর কর্তৃপক্ষের কেউও যেমন কিছু বলতে পারেন না।নিখিলেশ সাহা নামের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।’তেমনই কবি নির্মলেন্দু গুণও তার কবিতা উধাও হয়ে যাওয়ায় বিস্মিত। তিনি বলেন, ‘ আমি চার, পাঁচদিন আগে সেখানে এমনি ঘুরতে গিয়েছিলাম । গিয়ে দেখি কবিতাটি নেই।সর্বশেষ ২০১ তে গিয়ে দেখেছিলাম। এরপর আর যাওয়া হয়নি।

কয়েকদিন আগে গিয়ে আবিস্কার করি কবিতাটি নেই। এব্যাপারে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখেছি।’নিচে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিটি দেওয়া হলো:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ওপর রচিত আমার কবিতা “স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো “– সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভূগর্ভস্থ জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ছবির পাশে দীর্ঘদিন ছিল।তা দেখে আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম।কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, আমার ঐ কবিতাটি এখন আর ওখানে নেই।এই জনপ্রিয় কবিতাটি কবে, কার নির্দেশে এবং কেন স্বাধীনতা জাদুঘর থেকে অপসারিত হলো, তা জানতে আমি আপনার দ্বারস্থ হলাম।আমি খুব অসম্মানিত এবং ক্ষুব্ধ বোধ করছি।ইতিহাস বিকৃতির মহোৎসবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রচিত আমার কবিতার সুরক্ষা আপনার কর্তব্য বলে বোধ করি।শ্রদ্ধা ও প্রীতি জানবেন। সবিনয় ইতি।নির্মলেন্দু গুণ, ১৫ মে ২০১৯।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত