প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদক ব্যবসার পরিধি এতো ব্যাপক ও শক্তিশালী যে এক বছরের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ ব্যাপার নয় বলে মনে করেন ড. জিনাত হুদা

সৌরভ নূর : মাদকের ভয়াবহতা রোধে গত বছরের ৪ মে থেকে দেশব্যাপী অভিযানের ঘোষণা দেয়া হয়। এই অভিযানে এখন পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন ৩৫৮ জন মাদক ব্যবসায়ী। এর মধ্যে শুধু কক্সবাজার জেলাতেই নিহত হয়েছেন ৯৫ জন। এছাড়া আত্মসমর্পণ করেছে ১০২ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার পরও এই এক বছরে উদ্ধার হয়েছে পাঁচ কোটি চৌদ্দ লাখ পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা মাদকের সরবরাহ আরো বেড়েছে বলে ইঙ্গিত দেয়। এতো কিছুর পরেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না কেন? এ প্রসঙ্গে সমাজবিজ্ঞানী জিনাত হুদা বলেন, যে ব্যবসার পরিধি এতো বড় ও ব্যাপক, এতো শ্রেণি-পেশার মানুষ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এবং সেই সংখ্যাটা এতো বেশি যে, এক বছরের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা এতোটা সহজ ব্যাপার নয়।

তিনি আরো বলেন, এভাবে আত্মসমর্পণ করে আর ক্রসফায়ারে মানুষ হত্যা করে কোনো লাভ হবে না। সবার আগে দরকার পেছনের লোকগুলোকে খুঁজে বের করা। কিন্তু মেরে ফেলে দিলে গডফাদারদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এখন প্রশ্ন হলো সরকার এতো কিছু করতে পারলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না কেন? খোঁজ নিলে দেখা যাবে এই মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে সব শ্রেণির একটা বিপুল পরিমাণ লোক জড়িত রয়েছে। এমনকি অনেক রাজনীতিকও এর সঙ্গে জড়িত। কেউ অর্থ দিয়ে, আবার কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে এখানে মদদ জোগাচ্ছে। ফলে শুধু জিরো টলারেন্স নীতি দিয়েই মাদকের প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব নয়, একইসঙ্গে আরেকটা ব্যাপার যেটা আমাদেরই করতে হবে সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত