প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেষ বৈঠকে অনুদান পেলেন শমী কায়সার

মহিব আল হাসান : সুষ্ঠু ও ভালো মানের চলচ্চিত্র উপহার দেয়ার লক্ষ্যেই দেশীয় চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদানের প্রথা চালু হয়। ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছর থেকে অনুদান প্রদান করা হয়ে আসছে। ২০০৭ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত নিয়মিতভাবে চলচ্চিত্রে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। ২০১০ সাল থেকে অনুদানের অর্থ বাড়ানো হয়। যার পরিমাণ ৩৫ লাখ টাকা এবং সঙ্গে ১০ লাখ টাকার কারিগরি সুবিধা চালু হয়। বর্তমানে অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবারের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের অনুদান প্রদান করা হয়েছে। শুরু থেকে অনুদান নিয়ে নানা কারণে আলোচনায় এবারের কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রদেয় অনুদানের বিষয়ে শেষ সভায় কমিটির সব চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব যোগ দিয়ে চলচ্চিত্র অনুদান তালিকা চূড়ান্ত করেছেন। এতে আগের আটটি চলচ্চিত্রের সঙ্গে অভিনেত্রী শমী কায়সার প্রস্তাবিত ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রটিও অনুদান তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তথ্যমন্ত্রণালয়ের একটি সুত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অনুদান পাওয়া পূর্ণদৈর্ঘ্য নয়টি চলচ্চিত্র সাধারণ শাখায় অনুদান পেয়েছে। এগুলো হচ্ছে, মীর সাব্বিরের ‘রাত জাগা ফুল’, খান শারফুদ্দীন মোহাম্মদ আকরামের ‘বিধবাদের কথা’, এবং শিশুতোষ শাখায় আবু রায়হান মো. জুয়েলের ‘নসু ডাকাত কুপোকাত’ শমী কায়সারের ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’। এছাড়াও কাজী মাসুদের ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’, লাকী ইনামের ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, সারাহ বেগম কবরীর ‘এই তুমি সেই তুমি’; প্রামাণ্যচিত্র শাখায় হুমায়রা বিলকিসের ‘বিলকিস এবং বিলকিস’, পূরবী মতিনের ‘মেলাঘর’
এর মধ্যে সাধারণ শাখায় ছবির জন্য প্রত্যেক প্রযোজক পাবেন ৬০ লাখ টাকা করে। আর কাজী মাসুদের ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’, লাকী ইনামের ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, সারাহ বেগম কবরীর ‘এই তুমি সেই তুমি’ পাবে ৫০ লাখ টাকা করে। প্রামাণ্যচিত্র শাখার দুটি চলচ্চিত্র বানাতে প্রত্যেক প্রযোজক পাবেন ৩০ লাখ টাকা করে।

এ অর্থবছরে অনুদান পাওয়া পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো জান্নাতুল ফেরদৌস আইভির ‘খিজিরপুরের মেসি’, জাহিদ সুলতানের ‘মিঠুর একাত্তর যাত্রা’, মো. নাজমুল হাসানের ‘রুপালি কথা’, ফারাশাত রিজওয়ানের ‘শেকল ভাঙার গান’ ও উজ্জ্বল কুমার ম-লের ‘ময়না’। এ চলচ্চিত্রগুলো নির্মাণের জন্য প্রত্যেক প্রযোজক ১০ লাখ টাকা করে পাবেন।

উল্লেখ্য, চলচ্চিত্রে অনুদান নীতিমালায় বলা আছে, অনুদানের প্রথম চেক প্রাপ্তির নয় মাসের মধ্যে ছবির কাজ শেষ করতে হবে। বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনুরোধ সাপেক্ষে পরিচালক ওই সময় কিছুটা বৃদ্ধি করতে পারেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত