প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনৈতিক দলগুলো খাদ্য নিরাপত্তাসহ জনদুর্ভোগ নিয়ে ভাবে না, বললেন ক্যাবের সভাপতি

কেএম নাহিদ : বাজার থেকে ভেজাল ৫২ টি খাদ্য সরাতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। ক্ষতিকর খাদ্য তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ এখন বাজারে যাচ্ছে। ক্ষতিকর খাদ্য নিয়ে দেশের মানুষের উদ্বেগ অনেক দিনের। হাইকোর্টের এই রায়কে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিচ্ছে। সর্বশেষ এই ঘটনায় সাধারন মানুষের ওপর প্রভাব কত পরবে। বিবিসি’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কনজিউমার এসোসিয়েসন ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপারটা আমাদের দেশে অতীতে তেমনভাবে ভাবা হতো না, খাদ্য উৎপাদনকেই  বেশি প্রাধান্য দেয়া হত।

তিনি বলেন, চিরাচরিত আইনে নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপারে কিছু ছিলো, তবে তা স্পষ্ট ছিলো না। নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ প্রথম করা হয়। সে আইন বাস্তবায়ন করার জন্য একটি কমিটি করা হয়। নাম ‘নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ’। গত ১০ বছরে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন হয়েছে, কিছু প্রতিষ্ঠান হয়েছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সক্ষমতা লাভ করতে পারেনি নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপারে।

বিএসটিআই’র কাজ হলো, যে সব পণ্যের মান নির্ণয় বাধ্যতামূলক তাদের মান ঠিক আছে কিনা সেসবের গুণাগুণ নির্ধারণ করা। বিএসটিআই তাদের কাজ ঠিকমতো করছে বলেই আদালত এই নির্দেশনা নিয়েছে। আর আদালতের নির্দেশনার ফলে জনসচেতনতা তৈরি হয়েছে। এতে নিরাপদ খাদ্য অনেকটা নিশ্চিত হবে।

তিনি আরো বলেন, আগে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের কথা বলতো, এখন বলে না। খাদ্য নিরাপত্তা, যাতায়াত ব্যবস্থা, তাদের এজেন্ডায় এখন প্রধান্য পায় না। আর ভোক্তা অধিকার সংগঠন যেগুলো আছে, সেগুলোর সক্ষমতা অত্যন্ত কম। ভোক্তারাও সংগঠিত নয়। তাই এ নিয়ে একটা আন্দোলন দানা বাঁধে না। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেনি। তাই কোর্ট তার রায়ের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি করবে। নিশ্চিত হবে নিরাপদ খাদ্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত