প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভেনিসে বাংলাদেশি শিল্পীদের চিত্র প্রদর্শনী

মৌরী সিদ্দিকা : বাংলাদেশ, ভেনিস, কোথাওই তো পানির অভাব থাকার কথা না। তাহলে এ তৃষ্ণা কিসের! সে জবাব দিতেই ইটালির ভেনিসে আর্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশি আর্টিস্ট।-ডয়েচে ভেলে

আষ্টেপৃষ্ঠে খাল দিয়ে প্যাঁচানো ভেনিসের মূল শহরে পালাৎসো সেনোবিও নামের এক ঐতিহাসিক ভবনে একটা অপরূপ খালের পাশেই হঠাৎ নজরে পড়বে একটা ব্যানার। গোটা গোটা ইংরেজি অক্ষরে লেখা বাংলাদেশ। তারচেয়েও বড় করে লেখা ‘থার্স্ট’ বা তৃষ্ণা। দ্বিতীয় তলায় তিনটি কক্ষ জুড়ে ভেনিসের মাটিতেই যেন এক টুকরো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের শিল্পী প্রীমা নাজিয়া আন্দালিবকে দেখা গেল ক্লান্তিহীন বর্ণনা করে যেতে। প্রীমার কাছে তৃষ্ণার অর্থ কী? তিনি বললেন, ‘নারীকে আমরা গলাকাটা হিসেবে দেখি, পুতুল হিসেবে দেখি। তাদের যেমন শুধু চেহারাই আছে, শরীর আছে, আর কিছু নেই। নারীদের পণ্য হিসেবেই দেখানো হয়। পরের কক্ষে শোভা পাচ্ছে বিশ্বজিৎ গোস্বামী এবং গাজী নাফিস আহমেদের শিল্পকর্ম। বিভিন্ন দেশের নারীদের নিয়ে তরুণ এই শিল্পীর ফটোগ্রাফি সিরিজ ‘মা’ সুনাম কুড়িয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে পেইন্টিংয়ে স্নাতক ও বিশ্ব-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর করেন বিশ্বজিৎ। একই কক্ষে বেশ কিছু স্থিরচিত্র নিয়ে হাজির গাজী নাফিস আহমেদ। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জীবন ও তাদের লড়াই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা নিয়ে নাফিসের কাজ।

নাফিস অবশ্য খুশি, সম্প্রতি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বাংলাদেশে ভোটাধিকারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু এতেই পুরো খুশি নন তিনি। তিনি বলছেন, ‘এই মানুষদের গল্প বলার তৃষ্ণা আমার মেটেনি।

কাজলের কাছে তৃষ্ণা একেবারেই ব্যক্তিগত ব্যাপার। এর সঙ্গে তার নিজের জীবনের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘ভালোবাসার তৃষ্ণা থেকে মানুষ পরিবার তৈরি করে। সেখান থেকে একজন সন্তানেক তৃষ্ণা তৈরি হয়। আমার পরিবার হয়েছে, কিন্তু সন্তানের তৃষ্ণা মেটেনি।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত