প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চাঙ্গা হচ্ছে ঈদ বাজার, লেনদেন হবে কয়েক হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট : পবিত্র রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর সামনে রেখে চাঙ্গা হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। রমজানের অন্যতম অনুষঙ্গ ইফতার বাজার এবং ঈদের পাইকারি ও খুচরা বিক্রি সরাসরি যোগ হবে অর্থনীতিতে। শুধু শহরে নয়, ঈদ অর্থনীতির প্রবাহ ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে গ্রামে। ঈদ বাজার ঘিরে এবার কয়েক হাজার কোটি টাকার লেনদেন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আর এই উৎসবকে রঙিন করতে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ যোগ হচ্ছে দেশের অর্থনীতিতে। গত মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৪৩ কোটি ডলার; যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ কোটি ডলার বেশি। বাজারে আসছে নতুন টাকা। এখন চলছে টাকা ছাপানোর কাজ। রমজানের মাঝামাঝিতে ব্যাংকগুলোতে নতুন চকচকে নোট সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। জনকণ্ঠ।

এদিকে ঈদের বেচাকেনা খুচরা বাজারে না জমলেও পাইকারি বাজার এখন বেশ জমজমাট। শব-ই- বরাতের পর থেকে দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের আনাগোনা বেড়েছে নগরীতে। পাইকারি বাজারে বিক্রি চলবে আগামী ১৫ রমজান পর্যন্ত। এরপর থেকেই পুরোপুরি জমজমাট হবে বাজারের বেচাকেনা। তবে ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজধানীর দর্জির দোকানগুলো। দেদারসে অর্ডার নিচ্ছেন দোকানিরা। চলবে রমজানের শেষ অবধি।

রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান, ফ্যাশন হাউস ও শপিংমল ঘুরে দেখা যায়, প্রতিবারের ন্যায় এবারও রোজা আসার আগে থেকেই ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে। তাই ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। দোকানে দোকানে নতুন পোশাক সাজাতে ব্যস্ত কর্মীরা।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, নামকরা ব্র্যান্ড কিংবা ভারতীয় হিন্দি সিরিয়ালের নামে এবারও জায়গা দখল করছে ঈদের নতুন পোশাক। কেউ আত্মীয়-স্বজনদের উপহারের জন্য কেনাকাটা করছেন। কেউবা গ্রামে কিংবা বিদেশে দেশী পোশাক পাঠানোর জন্য আগেভাগেই পোশাক কিনছেন। আবার অনেকেই নগরীর বিপণিবিতান বা দোকানগুলোতে ঘুরে বেড়ান- এবার ঈদে নতুন পোশাক বা জামা-কাপড় কী এলো তা দেখতে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার আমদানি করা পোশাক ও জুতার পরিবর্তে দেশীয় ব্র্যান্ডের চাহিদা বাড়বে। দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোতে ঈদের নতুন পোশাক উঠতে শুরু করেছে।

রাজধানীর চাঁদনী চক মার্কেটের নিউইয়র্ক কালেকশনের স্বত্বাধিকারী নওশাদ আহমেদ বলেন, ক্রেতারা বেশ আগে থেকেই কেনাকাটা শুরু করেছেন এটা ঠিক, কিন্তু বেশিরভাগই ঘুরে ঘুরে ঈদ কালেকশন দেখছেন। মূলত বাজার শুরু আগামী শুক্রবার থেকে। তবে এখন যেমন শুরু হয়েছে এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবার ব্যবসা ভাল হবে বলে আশা করা যায়।

শব-ই-বরাতের পর থেকেই রাজধানীর দর্জির দোকানগুলো বেশ সরব হয়ে উঠেছে। সময়মতো কাজ বুঝে দিতে রাতভর কাজ করছেন দর্জি কারিগররা। আগামী ১৫ রমজানের পর কোন অর্ডার বুকিং নেয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন দর্জি দোকানিরা।

কেরানীগঞ্জ, ইসলামপুরসহ ঢাকার বড় বড় পাইকারি মার্কেট এখন কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এসব কারণে ঢাকায় প্রতিদিন জনসংখ্যার চাপও বাড়ছেই। জনসংখ্যার এই অতিরিক্ত চাপ ঈদের আগের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দে মেতে উঠবেন সবাই।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত