প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে বিজয়ী দল নিয়ে অস্পষ্টতা, এগিয়ে সামরিক জান্তা পার্টি

লিহান লিমা: ২০১৪ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ প্রতিক্ষীত থাইল্যান্ডের প্রথম নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। তবে বুধবার নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত এই ফলাফলে বিজয়ী দল সম্পর্কে কোন স্পষ্ট তথ্য দেয়া হয় নি। নির্বাচনী ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে সামরিক জান্তা সরকারের দল, ফলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচার পক্ষেই ক্ষমতা ধরে রাখার পাল্লা ভারি থাকছে। বিবিসি, ইউরোনিউজ

বর্তমান সামরিক জান্তা সরকারের লিখিত সরকার গঠনের নিয়মানুযায়ী যেহেতু সেনা সমর্থিত দল ও বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’, কোন দলই সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত ভোট পায় নি, ফলে জোট সরকার গঠন করতে হবে। ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট এর নেতারা বলছেন, জান্তা সরকারের লিখিত নিয়ম ডেমোক্রেটিক পার্টি জোটকে সরকার গঠনের পথ রুদ্ধ করে রেখেছে। তারা এর বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেবেন।

এই নির্বাচনে ২০০৬ সালে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনওয়াত্রার অনুগত দল ১৩৬টি আসন পেয়েছে, ওচার দল ‘পালাং প্রচা রাথ পার্টি’ (পিপিআর) পেয়েছে ১১৫টি আসন। যদিও সিনেটের উচ্চকক্ষের ২৫০টি আসন পিপিআর এর নিয়ন্ত্রণে থাকায় তারাই ক্ষমতা গঠন করবেন। হাউস ও সিনেটের আসন মিলিয়ে ক্ষমতা গঠন করতে পিপিআরএর ছোট কয়েকটি দলের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টে ৭৫০টি আসন রয়েছে। কিন্তু নি¤œকক্ষের ৫০০টি আসন নির্বাচিত করেন নির্বাচকমন্ডলী, এবং উচ্চকক্ষের ২৫০টি আসন সেনা কর্তৃক নিয়োগ হয়। দুই কক্ষ একত্রে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে। এই প্রক্রিয়া নিয়ে অনেক ধোঁয়াশা রয়েছে।

থাই রাজা মহা ভাজিরালংকট আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হলো। রাজনীতিতে রাজপরিবারের কোন হস্তক্ষেপ নেই। ২০০৬ সালে থাকসিনের উৎখাতে পর থেকে সেনাবাহিনী দেশটির রাজনীতিকে প্রভাব খাটিয়ে আসছে। ২০১৭ সালে তারা সংবিধানও পরিবর্তন করে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত