প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশে ৩০ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত, প্রতিরোধে দরকার সচেতনতা

হ্যাপি আক্তার : দেশের ১০ ভাগ মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছে। এর মধ্যে ৪ ভাগ শিশু এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। উত্তরাধিকার স‚ত্রে এ রোগ শিশুরা বহন করছে। এ বাস্তবতায় দেশের মানুষকে সচেতন করে তুলতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো প্রতিবছরের ন্যায় আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া দিবস পালিত হবে। একুশে টেলিভিশন।

থ্যালাসেমিয একটি বংশগত রোগ। সাধারণত ত্রুটিপ‚র্ণ হিমোগ্লোবিন জিনের কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। বাবা এবং মা উভয়ের অথবা বাবা অথবা মা যেকোনো একজনের থ্যালাসেমিয়া জীন থাকলে, এটি সন্তানের মধ্যে ছড়াতে পারে। বাবা এবং মা উভয়ের থ্যালাসেমিয়া জীন থাকলে, সে ক্ষেত্রে শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ২৫ ভাগ।

চিকিৎসকরা বলছেন, থ্যালাসেমিয়া এমনই একরোগ যা দেহের রক্তের হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিকতা এবং কোষ নষ্ট করে ফেলে।
এ রোগ থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে বিয়ের আগে নারী-পুরুষের রক্ত পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে আন্ত পারিবারিক বিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্যে জানা যায়, দেশে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি শিশু এ রোগে ভুগছে। বেঁচে থাকার জন্য এদের নিয়মিত রক্ত নিতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডা. গোলাম রহমান বলেন, বর্তমানে দেশের ১০ ভাগ মানুষ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। যখন কোনো ব্যক্তি মা-বাবার কাছ থেকেই থ্যালাসেমিয়া জিন উত্তরাধিকার হিসেবে পায়, তখন তাকে থ্যালাসেমিয়া মেজর বলে। অপরদিকে উভয়ের মাইনর হলে, সেক্ষেত্রে তাদের সন্তানদের থ্যালাসেমিয়া মেজর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ২৫ শতাংশ।

থ্যালসেমিয়া প্রধানত দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা- আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বিটা থ্যালাসেমিয়া।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত