প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডয়েচে ভেলে’র বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগদানের জন্য খালেদ মহীউদ্দীনকে সংবর্ধনা

দেবদুলাল মুন্না:  দেশের অন্যতম বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইনডিপেণ্ডটেড টিভি’র নির্বাহী সম্পাদক খালেদ মহীউদ্দীন জার্মানীর ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন। এ উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে গত বৃহস্পতিবার রাতে এক বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয় খালেদ মহীউদ্দীনকে।ইমপ্যাক্ট পিআর নামের সংগঠন এই বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষপর্যায়ের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা।এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের নাঈমুল ইসলাম খান, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাসিমা খান মন্টি,জিটিভি প্রধান সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, মিথিলা ফারজনা,এসোসিয়েট প্রেসের ( এপি) জুলহাস আলম, আসিফ আমান প্রমুখ।খালেদ মহীউদ্দীন দৈনিক প্রথম আলো, বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর, সাপ্তাহিক কাগজ,দৈনিক আমাদের অর্থনীতি , সাপ্তাহিক মিডিয়াওয়াচসহ অসংখ্য সাপ্তাহিক, দৈনিক সংবাদপত্রে ও টিভিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অনার্সসহ মাস্টার্স পাস করেন।তিনি পড়াশোনা শেষে অল্প কিছুদিন সরকারি উচ্চপদেও চাকরিও করেন।

ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ছাড়ার ঘোষণা এবং নতুন কর্মস্থল সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিম্নোক্ত পোস্ট লেখেন খালেদ মহিউদ্দীন। নিচে এটি হুবহু তুলে ধরা হলো ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের কিছু ছবি দেওয়া হলো:

বিদায় প্রিয়
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন আমার ভালোবাসা। আক্ষরিক অর্থেই এখানে কাজ করে আজকের বাংলাদেশ, এডিটরস পিক বা বাংলাদেশ জিজ্ঞাসা করে দর্শকদের যে সমাদর পেয়েছি, সহকর্মীদের যে সহযোগিতা , অতিথিরা যে উৎসাহ যুগিয়েছেন এর কোনোটিরই সঙ্গে তুলনা দিতে পারি এরকম কোন কিছু আমার জীবনে ঘটে নাই। তবে সব কিছুরই শেষ আছে, আছে পরিণতি।আপাতত আমার প্রিয় প্রতিষ্ঠান থেকে বিরতি নিচ্ছি আমি। ২০ মে পর্যন্ত ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি এর নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বে আছি আমি।

 

আর হয়ত একবার দুইবার টিভি পর্দায় আজকের বাংলাদেশে আসবো। জার্মান বার্তা সংস্থা ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগ আমার নতুন কর্মস্থল হতে যাচ্ছে। নিচ্ছি বাংলা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব¡। থাকতে হবে বনে।৮ বছরের এই পথচলায় আমার প্রধান সম্পাদক এবং বিনিয়োগকারীরা স্বজন এর মত আমার পাশে ছিলেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা।”

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত