প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩১ শতাংশ শুল্ক-কর দিয়ে সংবাদপত্র প্রকাশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে : নোয়াব

নিউজ ডেস্ক : বর্তমানে সংবাদপত্র শিল্পের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) ও অগ্রিম আয়কর মিলিয়ে ৩১ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া কাগজের মূল্য বৃদ্ধিসহ সার্বিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় এ শিল্পের অবস্থা ভালো নয় বলে জানিয়েছে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান। তিনি বলেন, নিউজপ্রিন্টের আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ, ভ্যাট ১৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ৫ শতাংশ এবং অন্যান্য খরচসহ মোট খরচ দাঁড়ায় ৩১ শতাংশ। প্রতিটন কাগজের দর পড়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। ছাপার খরচও বাড়ছে। এসব কারণে পত্রিকা প্রকাশ করা দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এ খাতের ব্যবসায়িক পরিস্থিতি মোটেই ভালো নয়। দিন দিন রুগ্ন শিল্পে পরিণত হয়েছে।

নোয়াবের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিজ্ঞাপনের উেস আয়কর বিদ্যমান চার শতাংশ ও কাঁচামালের উপর উেস কর্তিত আয়কর (টিডিএস) পাঁচ শতাংশসহ মোট ৯ শতাংশ ব্যয় করতে হয়। অথচ পত্রিকা প্রকাশে ৯ শতাংশ মুনাফাই হয় না। বিজ্ঞাপন আয়ের উপর উেস কর অর্ধেক কমানো ও উেস কাঁচামালের উেস কর প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়। সংবাদপত্র শিল্প ভ্যাট হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও কাস্টমস প্রসিডিউর কোডের (সিপিসি) মাধ্যমে ধার্য হওয়া করের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কর্তন করা হয়। এই ভ্যাট প্রত্যাহার ও ৩৫ শতাংশ কর্পোরেট কর ১০ থেকে ১২ শতাংশে নামিয়ে আনারও অনুরোধ জানানো হয়।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ছাড়াও এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া ও দেশের বিভিন্ন শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ইত্তেফাক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত