প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পশ্চিমবঙ্গে গোলমালের সময়ে গেল কোথায় ভোটের ফৌজ? প্রশ্ন বিজেপি, বাম ও কংগ্রেসের

মৌরী সিদ্দিকা : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল, বর্ধমান, বীরভূম, বহরমপুরের একাধিক ঘটনা তুলে ধরে শাসকদল তৃণমূল বিরোধীরা যখন কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার উদাহরণ দিচ্ছে, তৃণমূল তখন সরব হয়েছে পাড়ুই ও দুবরাজপুরের দু’টি বুথে বাহিনীর গুলি চালানো নিয়ে।-আনন্দ বাজার

হঠাৎ দেখা যাচ্ছে প্রাণভয়ে হাতজোড় করছেন নানুরের তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত পরিবারের মহিলা।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম তিন দফার ভোটেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগ ছিল। তার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেছিল নির্বাচন কমিশন। কার্যক্ষেত্রে সোমবার চতুর্থ দফার ভোটের দিন সেই বাহিনীকে দেখা গেল না গোলমালের সময়ে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলল, কমিশনের খাতায় ৯৬% বুথে যে বাহিনী রাখা হয়েছিল, তারা গোলমালের সময়ে গেল কোথায়? আবার রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল সরব হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অতি সক্রিয়তা’র অভিযোগে।

মোট ৮টি লোকসভা কেন্দ্রের ভোটে নানা জায়গাতেই বুথ দখল, ছাপ্পা, সংঘর্ষ, ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। মোট ৫৬১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন হলেও অশান্তি মোকাবিলায় তাদের কেন সে ভাবে সক্রিয় দেখা গেল না, তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি নির্বাচন কমিশনের তরফে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব বলেছেন, ‘কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া ভোট মোটের উপরে শান্তিপূর্ণই হয়েছে।’ আফতাব জানিয়েছেন, পঞ্চম দফার ভোটের দিন ৭টি কেন্দ্রের সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য, ‘অশান্তি দেখেও রাজ্য পুলিশ পুরো চুপ, আধা-সামরিক বাহিনী আধা চুপ! বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকায় আমি হতাশ। যা ভেবেছিলাম, এদের ভূমিকা তার চেয়ে অনেক খারাপ।’’

বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পরেশচন্দ্র দাসের গাড়ি ভাঙচুর করে তাঁকে নিগ্রহের অভিযোগ এনেছে বিজেপি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত