প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইভিএম-এর বোতামে আতর লাগিয়ে তৃণমূলের দুনিয়াছাড়া কান্ড অতঃপর আঙুল শোকা

মৌরী সিদ্দিকা : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম কেন্দ্রে ভোট হল সোমবার। ভোটের আগে থেকেই হুমকি, শাসানি, মারধরের অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাতে কি সত্যিই কাজ হচ্ছে? সব ভোট তৃণমূলের প্রতীকে পড়েছে তো? সেটা যাচাই করতে অভিনব কৌশল প্রয়োগের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।-আনন্দ বাজার

ভোট শেষে আঙুল উঁচিয়ে কালির দাগ দেখান সেলেব্রিটি, হেভিওয়েটরা। কিন্তু বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের মঙ্গলকোটের মাজিগ্রামের ভোটারদের অন্য অভিজ্ঞতা। আঙুল দেখানো নয়, শুঁকে দেখছেন তৃণমূল কর্মীরা। কেন? অভিযোগ, ইভিএম-এ তৃণমূলের প্রতীকের পাশের বোতামে আগে থেকেই লাগিয়ে রাখা হয়েছিল আতর।

ভোট দেওয়ার পর আঙুলের গন্ধ থেকেই দলের কর্মীরা বুঝে যাচ্ছেন, তৃণমূলে ভোট দিয়েছেন কি না। তার পর সেই অনুযায়ী দাওয়াই। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
কী সেই কৌশল? স্থানীয় সূত্রে খবর, এক শ্রেণির ভোটকর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে তৃণমূল কর্মীরা ইভিএমে দলের প্রতীকের পাশের বোতামে (যেখানে টিপে ভোট দেওয়া হয়) আতর লাগিয়ে রাখা হয়। তৃণমূলকে ভোট দিলেই সেই আতরের গন্ধ লেগে যাচ্ছে আঙুলে। এর পর কেউ ভোট দিয়ে বেরোলেই তার আঙুল শুঁকে পরীক্ষা করেন তৃণমূল কর্মীরা। কারও আঙুলে গন্ধ না থাকলেই তাকে চিহ্নিত করে রাখা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ।

বুথের ভিতরে যেমন ছিল ‘আতর’ দাওয়াই, বাইরেও কার্যত ছিল তৃণমূলের জাল বিছানো। অভিযোগ, বুথের ২০০ মিটারের মতো দূরে তৃণমূল কর্মীরা রাস্তায় বসে ছিলেন। ভোটাররা বুথে যাওয়ার আগেই তাঁদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে মুড়ি, মুড়কি, নকুলদানা ও ঘুঘনির প্যাকেট। বুথের দিকে আর এগোতে দেওয়া হয়নি। ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়ির পথে। ভোটাররাও অশান্তির ভয়ে ফিরতি পথ ধরেছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত