প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যেভাবে সংসদে এলো বিএনপি
দলের ভাঙন ঠেকাতেই সংসদে যাওয়ার পক্ষে তারেক রহমানের নির্দেশ

শাহানুজ্জামান টিটু : জাতীয় স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে চার সংসদ সদস্যের রুদ্ধদ্বার বৈঠক। লন্ডন থেকে স্কাইপিতে যুক্ত হন তারেক রহমান। চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে শপথের বিষয়ে চলে দফায় দফায় বৈঠক। ওই বৈঠকে সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ও অনমনীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা। কোনো যুক্তি দিয়ে দলের নীতিনির্ধারকদের বোঝাতে পারছিলেন না নির্বাচিতরা। এক পর্যায়ে দলের শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতে তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার অনুমতি নেন চার সংসদ সদস্য। এসময় র্শীষ নেতারা বৈঠক কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এরপর তারা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন। তাকে বোঝাতে সক্ষম হন শপথ নেয়ার পক্ষে।

এমপিরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিকভাবে জোরালো কোনো কর্মসূচি দিতে পারছে না বিএনপি। সভা সমাবেশ করার পরিসরও খুবই সীমিত। খালেদা জিয়া এক বছরের অধিক সময় কারাগারে। যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক ভাবে বিএনপির অবস্থান নড়বড়ে। সংসদে যোগ দেয়ার বিষয়ে সরকার ও এলাকার মানুষের চাপ রয়েছে। বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও চায় সংসদে বিএনপি যাক। নির্বাচিতরা সংসদে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন।

সূত্র জানায়, সার্বিক আলোচনায় নির্বাচিতদের বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে যান তারেক রহমান। শপথে বাধা দিলেও তারা তা অমান্য করে শপথ নেবেন। এতে দল থেকে বহিষ্কার করেও কোনো লাভ হবে না বরং দলীয় শক্তি আরো ক্ষয় হবে। পরিণতিতে সরকার এদেরকে দিয়ে বিএনপিকে ভাঙ্গার চেষ্টা করবে। এছাড়া, শপথ না নিলে ওই আসনগুলোতে উপনির্বাচন দিয়ে সরকার দলীয়দের নির্বাচিত করে আনবে। ফলে বিএনপির পক্ষে কথা বলার মত আর কোনো জায়গা অবশিষ্ট থাকবে না। এসব কারণে তারেক রহমান ঝুঁকি নিতে চাননি। ফলে ৬ জনের ওপর দলের কর্তৃত্ব বহাল রাখতেই দলের যৌথ সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেয়ার একক সিদ্ধান্ত দেন তারেক রহমান।

সূত্র জানায়, মির্জা ফখরুলকেও তিনি কৌশলগত কারণে শপথ না নিয়ে সময় প্রার্থনার পরামর্শ দেন তারেক রহমান। দলীয় নেতাকর্মী, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও সরকারি দলের মনোভাব বোঝার বিষয়টি কাজ করছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত