প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঝিনাইগাতীতে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান

তপু সরকার হারুন, শেরপুর : শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বেহাল অবস্থা প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার। এ উপজেলায় প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক সংকটসহ অনেক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষের অভাবে পাঠদান চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, একটি চার কক্ষের পাকা ভবন। এর দেয়ালে দেয়ালে ফাটল, ছাদের পলেস্তার খসে পড়ছে, রডও বের হয়ে পড়েছে। পাকা এই ভবনটি ১৯৯৩-৯৪ সালে নির্মিত। উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর ভবনটিকে ২০১৩ সালে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্যে ওই ভবনের পাশেই ২০১৬ সালে নির্মাণ করা হয়েছে ৩ কক্ষ বিশিষ্ট একটি টিনসেড ঘর। কিন্তু শ্রেণি কক্ষ সংকট ও আর কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকেরা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পরীক্ষা নিচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। এ ভবনেই বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ চলছে। এমন চিত্র উপজেলার রাংটিয়া আর্দশ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

শুধু এই বিদ্যালয়ই নয়, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) শাহরিয়ারের দেয়া তথ্য মতে, এই উপজেলায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন ১৭টি চিহ্নিত করা হয়েছে। তন্মধ্যে ৯টি ভবনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষর্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোবাখখারুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আবেদনের পরিপেক্ষিতে ১৭টি পাকা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও তন্মধে ৯টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকা করে উপজেলা প্রকৌশলি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর যাচাই-বাচাই শেষে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করলে ওই ভবনগুলো ব্যবহার বন্ধ করা হবে। তবে অনেক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কক্ষ সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা অফিসের তালিকা মোতাবেক ইতিমধ্যেই দুইটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। এর মধ্যে রাংটিয়া আর্দশ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। বাকিগুলোও দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকা পাঠানো হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত