প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবি ব্যাংকের দুর্নীতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন এনজেলস কম্পোজিট নিটিং

রমজান আলী : এবি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, হয়রানি, খামখেয়ালি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ আনলেন বস্ত্র খাতের প্রবাসী এক উদ্যোক্তা। মো. গিয়াস উদ্দিন মুরাদ নামের এই উদ্যোক্তা স্পেনের নাগরিক। অনিয়ম-দুর্নীতিতে বিপর্যয়ের শিকার বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। দায়ী ব্যাংকারদের শাস্তি চেয়েছেন তিনি।

মেসার্স এনজেলস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রি (প্রা.) লিমিটেড নামের একটি রফতানীমুখী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন গিয়াস উদ্দিন মুরাদ। তার ভাষ্য এবি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের খামখেয়ালি ও দুর্নীতির কারণে শতভাগ রফতানিমুখী একটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন দুই হাজারের বেশি শ্রমিক।

গিয়াস উদ্দিন মুরাদ বলেন, ‘আমি জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হলেও দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে স্পেনে বসবাস করছি। ১৯৯৮ সালে মেসার্স এনজেলস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রি (প্রা.) লিমিটেড নামে শতভাগ রফতানিমুখী একটি স্পেন-বাংলাদেশ যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। এক্ষেত্রে দেশের কোনও ব্যাংকের ঋণ আমি গ্রহণ করিনি।’

তিনি বলেন, ‘অনেক শ্রম, তদবির ও চেষ্টায় ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে অন্য একটি রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে মেসার্স এনজেলস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রি (প্রা.) লিমিটেড পুনরায় চালু হয়। ব্যাংকের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছিল। এসময় ডাউন পেমেন্ট হিসেবে আমরা এবি ব্যাংকে এককোটি টাকা জমা দেই। তারা মৌখিক আশ্বাস দেয় যে, আমরা পুনরায় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবো। এবি ব্যাংক মাসে ৩৬ লাখ টাকা জমা দেওয়ার শর্তে ৬০টি কিস্তি তফসিল করে দেয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় মাত্র তিন মাস পর তারা পুনরায় আমাদেরকে ৩৬ কিস্তিতে ৫৫ লাখ টাকা করে মাসে পরিশোধ করতে বলে। ব্যাংকটির এমন হঠকারিতায় দিশেহারা হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনও সুরাহা পাইনি।’

সংবাদ সম্মেলনে এনজেলস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রি (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, জয়ন্ত কুমার এবং রফিকুল ইসলাম ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত