প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাম্পার ফলনেও ক্ষতির মুখে আম চাষীরা, সরকারি হিমাগার স্থাপন জরুরি

নাঈম কামাল : লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ আম উৎপাদনের পরও লোকসান গুণছেন অনেক বাগান মালিক। এ অবস্থা দূর করতে বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া উন্নত করা এবং সরকারিভাবে জেলায় জেলায় সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ডিবিসি

আশা ছিলো ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ করে বিদেশে রপ্তানি করে লাভবান হবেন। এখন ৫ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে আম বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, শ্রমিকের খরচ উঠাতে পারছে না বাগান মালিকরা।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রায় ৮০৫ হেক্টর জমির আম বাগানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০ হাজার টন আম। এবার হয়েছে তার দেড়গুণেরও বেশি।

রাজশাহীতে আম বিক্রি হয় পানির দরে। চাষীরা পড়েন লোকসানের মুখে। তারা জানান, গেল বছরও ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে আম বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এবার দাম কমে ৫ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজশাহী ফল গবেষণাগারের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দীন জানান, আম কেন্দ্রিক সরকারি শিল্প-কারখানা গড়ে উঠলে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও আম রপ্তানি করা সম্ভব। সম্পাদনায়: কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত