প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৬ বছরে দ্বিগুণ হবে মুরগীর মাংসের চাহিদা

নাঈম কামাল : বাংলাদেশর মানুষ এখন বছরে জনপ্রতি মুরগীর মাংস খায় ৬ দশমিক ২ কেজি । ডিম খায় বছরে গড়ে ৯০টি। ২০২৫ সাল নাগাদ জনপ্রতি পোল্ট্রি মাংসের চাহিদা দাঁড়াবে ১০ কেজির উপরে। ডিম খাবে বছরে ১২০টি। তাই উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পোল্ট্রি উৎপাদনে অধিক মনযোগ দেয়ার পরামর্শ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের। চাহিদার যোগান দিতে এখনকার ৭০ হাজার বাণিজ্যিক খামার বেড়ে হবে ১ লাখ ২৫ হাজার। ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি

এই অগ্রগতিতে সন্তোষ জানিয়ে ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ড. নিং ইয়াং বলেন, ‘সারা বিশ্বেই পোল্টির উৎপাদন বাড়ছে। দেশে মাংসের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় পোল্ট্রি থেকে।

ভারতের বিশেষজ্ঞ হুভে ফারমা সি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওপি সিং বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতায় সুবিধা পাওয়ার জন্য বিশ্বমানের খাদ্য ব্যবহার করতে হবে।

ওয়াপসা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শামুসল আরেফিন খালেদ বলেন, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশান ছাড়া কেউ যাতে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রজন্ন প্রযুক্তি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বেশি ওজনের পোল্ট্রি উৎপাদন করা যায়। এজন্য মুরগীর ওজন ২ থেকে আড়াই কেজি হওয়ার পরেই জবাই করা উচিত। এতে মাংসের মান ও স্বাদ দুটোই ভাল হয়। তাই বাজারে ভাল চাহিদার কথা চিন্তা করে অল্প ওজনের মুরগী বিক্রি করা ঠিক নয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত