প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একটা চক্র চাইছে না দেশে বৈধভাবে স্বর্ণালঙ্কার আসুক, অভিযোগ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদকের

ফাতেমা ইসলাম : স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের পর প্রায় ছয় মাস হলেও এখনো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপ দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আমদানি করা স্বর্ণ বিক্রির কমিশন নির্ধারণ না হওয়ায় ডিলারশিপের আবেদনের বিষয়ে দ্বিধায় আছেন তারা। ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য স্বর্ণ আমদানির সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় আছে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ডিলারশিপের জন্য কাঙ্খিত আবেদন জমা পড়েনি। সময় টিভি

স্বর্ণখাতের বিকাশ, অবৈধভাবে আমদানি বন্ধ, অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা পূরণ ও স্বর্ণালংকার রপ্তানি বাড়াতে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর ২০১৮’র অক্টোবরে স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমদিত ডিলার ও ব্যাংকের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির বিধান রাখা হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নভেম্বরে নীতিমালার প্রজ্ঞাপন হলেও খুব ধীরগতিতে চলছে ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া। এদিকে, আমদানি করা স্বর্ণ বিক্রি করে ডিলার কত কমিশন পাবেন তা নির্ধারণ না হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি গঙ্গাচরণ মালাকার বলেন, আন্তর্জাতিক রেটে যদি কেউ আমদানি করে আবার আরেকজনের কাছে বিক্রি করে তাহলে সে কত কমিশন পাবে, বা তার রেট কী বা তার লাভ কোথায় সেটা না জেনে কী করে হবে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্বর্ণ নীতিমালা কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য আমদানির সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি দিচ্ছে না। এতে বাড়ছে চোরাচালান। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীলিপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, জানি না আবেদনপত্র জমা দেয়ার কত দিন পরে বাংলাদেশ ব্যাংক কবে ডিলার নিয়োগ দেবে। মনে হয় একটা চক্র চাচ্ছে না যে এদেশে বৈধভাবে স্বর্ণের বার বা স্বর্ণালঙ্কার আসুক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলছেন, ডিলারশিপের আবেদনের জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় আছে। এখনো তেমন কোনো আবেদন পড়েনি।  বেসরকারি তথ্যমতে দেশের অভ্যন্তরে স্বণের চাহিদা বছরে ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ টন। বৈধভাবে আমদানির সুযোগ না থাকায় চোরাচালানের মাধ্যমে আসা স্বর্ণ চাহিদার অনেকাংশই পূরণ করছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত