প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জঙ্গীবাদ দমনে বাংলাদেশ কাজে লাগাচ্ছে মসজিদকে, অনুকরণীয় হতে পারে সবার জন্যই

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ৩ বছর আগে রাজধানী ঢাকার হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলা চালায় জঙ্গীরা। এই হামলায় নিহত হন বেশ কজন বিদেশী নাগরিকও। কূটনৈতিক এলাকায় এই হামলা হওয়ায়, গোটা বাংলাদেশের নিরাপত্তাই প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়। কিন্তু খুব দ্রæতই বাংলাদেশ এই হুমকি সামলে নেয়। জঙ্গীবাদ দমনে বাংলাদেশ এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছিলো। ধর্মকে নিয়ন্ত্রণ না করে ধর্মকে ব্যবহার করেই বাংলাদেশ জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে। এনডিটিভি।

মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন শুক্রবার। এদিন জুম্মার নামাজে মুসলমানদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন মসজিদের ইমাম। বিভিন্ন দেশের অভিযোগ, এই বক্তব্য বা খুতবা থেকে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য ছড়ানো হয়। এই অভিযোগকে মিথ্যা বলারও সুযোগ নেই। বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই এর নজির রয়েছে। বিশেষত যে দেশে প্রায় ১৩ কোটি মুসলিমের বসবাস, সেখানে এই ধরনের বক্তব্যের প্রভাবও অনেক।

তবে বাংলাদেশ সরকার এই বক্তব্য বন্ধ করার কোন পদক্ষেপ নেয়নি। তা বুমেরাং হওয়ারও যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিলো। এর বদলে সরকার ইমামদের অনুপ্রেরণা দিয়েছে জঙ্গীবিরোধী বক্তব্য প্রকাশের জন্য। কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে অধিকাংশ ইমাম সহযোগিতাই করেছেন। বাকিদের নজরদারিতে রাখা হয়। সরকার যার ফল পায় হাতেনাতে। বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ প্রায় মূলোৎপাটনের কাছাকাছিই পৌঁছে গেছে এই কথাটি বললেও অত্যুক্তি হবে না।

এই উদাহরণ থেকে শিক্ষা নিতে পারে প্রায় সকল দেশ। বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এই মডেল হবে অত্যন্ত কার্যকর। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত