প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উবার বাইকার-কাভার্ডভ্যানের বেপরোয়া গতিই লাবণ্যের মৃত্যুর জন্য দায়ী, বললেন পুলিশের ডিসি

মোহাম্মদ মাসুদ : সড়ক দুর্ঘটনায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লাবণ্য নিহতের ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালকও দোষী বলে উল্লেখ করেছেন তেজগাঁও অঞ্চলের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার। তিনি বলেন, উবারের রেজিষ্ট্রেশন করা চালক বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। এনটিভি

৪আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, আমাদের যেটা মনে হচ্ছে উবারের রেজিষ্ট্রেশনকৃত মোটরবাইকের চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। যেহেতু মোটরসাইকেলের চেয়ে কাভার্ডভ্যানের গতিটা বেশি, তাই কাভার্ডভ্যান দ্রুতগতিতে তাকে ক্রস করার সময় ধাক্কা দিয়ে পার হয়ে যায়। ধাক্কার কারণে লাবণ্য মোটরসাইকেল থেকে পড়ে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
বৃহস্পতিবার লাবণ্য রাইড শেয়ারিং সার্ভিস উবার এর মোটরসাইকেলে ছিলেন। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সামনে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। লাবণ্য মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান। পরে পেছন থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের চাকায় পিষ্ট হন।

দুর্ঘটনায় আটককৃত মোটর সাইকেল চালক সুমন জানান, ঘটনার দিন সকালে কলেজগেটে অবস্থানকালে তার চেয়ে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে অবস্থানকারী একজন উবার কলারের (ফাহমিদা হক লাবণ্য) কল পেয়ে তিনি তাকে ফোন করেন। ফাহমিদা হক লাবণ্য খিলগাঁও ছায়াবীথি মসজিদের সামনে যেতে চান জানিয়ে সুমনকে শ্যামলী ৩ নম্বর রোডের ৩১ নম্বর বাসার সামনে যেতে বলেন। লাবণ্য শ্যামলী ৩ নম্বর রোডের ৩১ নম্বর বাসার সামনে সুমনের মোটর সাইকেলে ওঠেন। রাস্তায় যানজট ছিল। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কাছাকাছি পৌঁছামাত্র একজন লোককে মোটরসাইকেলের সামনে দৌঁড়ে রাস্তা পার হতে দেখে সুমন ব্রেক কষেন। এতে লাবণ্য মোটরসাইকেলের ডানদিকে পড়ে যান। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান পেছন দিকে তাকে ধাক্কা দেয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত