প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোগীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ডাক্তারের দাবি ‘জমির দ্বন্দ্ব’

কেএম নাহিদ : রাজধানীর দক্ষিণখানে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় এক পল্লী চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৩ বছরের ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শনিবার রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে দুপুরের দিকে পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসে। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বিকেলে থানা গিয়ে ধর্ষণের মামলা করে। এনটিভি

দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল গনি সাবু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গতকাল রাতে ওই ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর ৫৫। এ মামলার পর পল্লীচিকিৎসক বিজয়কৃষ্ণ তালুকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্তারিত ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই ছাত্রীকে চিকিৎসার জন্য রাত ১২টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।’

তবে পল্লীচিকিৎসক বিজয় কৃষ্ণ তালুকদার ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে তাঁকে ফাঁসানোর জন্য ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেয়েটির পরিবার উত্তরখান এলাকায় থাকে। গত ২৩ এপ্রিল জ্বর নিয়ে মেয়েটি দক্ষিণখান চালাবন এলাকায় ‘দরিদ্র পরিবার সেবা সংস্থা’ নামে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে যায়। সঙ্গে মেয়েটির বাবাও ছিলেন। একপর্যায়ে চিকিৎসক মেয়েটির বাবাকে একটি ওষুধ নিয়ে আসতে বলেন। মেয়েটির বাবা এক-দেড় ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ওই ওষুধ নিয়ে ক্লিনিকে যান। এরপর চিকিৎসা শেষে মেয়েকে বাসায় নিয়ে যান।

ধর্ষণের মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়, ‘গতকাল মেয়েটি পরিবারের কাছে ধর্ষণের কথা প্রকাশ করে। সে জানায়, ওই দিন তার বাবা ক্লিনিকের বাইরে গেলে পল্লীচিকিৎসক হাত-পা বেঁধে এবং ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে ধর্ষণ করে।’ তবে বিজয় কৃষ্ণ তালুকদার দাবি করেন, ‘মেয়েটি আমার ক্লিনিকে এসেছিল, তাকে চিকিৎসা দিয়েছি। এ ছাড়া অন্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে ওই মেয়ের পরিবারের সঙ্গে আমাদের জমি নিয়ে দ্বন্ধ চলছে। আমি তাকে চিকিৎসা দিয়েছি। তার পরিবারের সবাই আমার কাছে আসে চিকিৎসার জন্য। মেয়ের ফুফুর কাছ থেকে কিছু অংশ জমি কেনা হয়। এই জমি নিয়ে তার সঙ্গে আমার বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের কারণে তারা আমাকে ফাঁসানোর জন্য এই নাটক করছে যোগ করেন বিজয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত