প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বেসামরিক নিরাপত্তায় চীনের সম্পৃক্ততা বাড়ছে

ডেস্ক রিপোর্ট : বেসামরিক নিরাপত্তায় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা বাড়ছে। এ নিয়ে সম্প্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে সই হওয়া ওই চুক্তিতে পুলিশিং যেমন আছে তেমনি সিভিল ডিফেন্স সংক্রান্ত সহযোগিতার বিষয়টিও রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, গত বছরের মাঝামাঝি থেকে ঢাকা-বেইজিং বেসামরিক নিরাপত্তা সহাযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে অক্টোবরে চীনের স্টেট কাউন্সেলর এবং জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ঝাও কেঝি’র ঢাকা সফরে আলোচনা প্রতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ওই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন ঝাও কেঝি। সফরকালে একাধিক চুক্তি সই হয়। যার মূখ্য উপলক্ষ্য ছিল বেসামরিক লোকজনের নিরাপত্তায় পরস্পরিক সহযোগিতা।

ওই সফরের ফিরতি সফর হিসাবে চলতি মাসে বেইজিং যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সেখানে দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ে তার আলোচনা হয়। জননিরাপত্তামন্ত্রী ঝাও কেঝি’র সঙ্গে বৈঠক (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক) শেষে দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং বেইজিং মিউনিসিপ্যাল পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়। ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রশ্নে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যে আলোচনা হয়েছে তাকে স্বাগত জানানো হয়।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে চীন উভয়কে উৎসাহিত করবে বলেও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান চীনের জননিরাপত্তামন্ত্রী। বেইজিংয়ের বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীন উভয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান। বলেন, বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা কেবল অব্যাহতই থাকবে না, ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়ানো হবে। অন্যতম সহযোগী হিসাবে চীন যে কোন বিষয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি বেশ বিস্তৃত। সেখানে প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি ক্রয় এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টি থাকছে। সামরিক নিরাপত্তার বাইরে যাবতীয় বিষয় যেমন পুলিশিং, ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম, সাইবার ক্রাইম, মাদক নিয়ন্ত্রণ, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রযুক্তি এবং লজিস্টিক সাপোর্ট, ভিআইপি প্রটেকশন ইত্যাদি ‘বেসামরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা’র আওতায় থাকছে। সেখানে যে কোন দুযোর্গ বা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সহায়তা এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় পরস্পরিক সহযোগিতার যেমন তথ্য আদান প্রদান যা শান্তি-সুরক্ষার অন্যতম উদ্বেগের বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ এবং তথ্য আদান প্রদানে একটি প্রতিষ্ঠিত চ্যানেল বা মাধ্যম স্থাপনে জোর দেয়া হয়েছে। ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম দমনে প্রেট্রোলিং এবং পরবর্তী পদক্ষেপে ‘সমন্বয়ে’র বিষয়টি অন্তভূক্ত করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত