প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা সামসুজ্জোহার স্বপ্নের নারায়ণগঞ্জ
গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসন বদ্ধ পরিকর বলেছেন,পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ

মনজুর আহমেদ অনিক: নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ ছিল স্বাধীনতার সূতিকাঘার।এখানে বঙ্গবন্ধু অনেকবার এসেছেন। স্বাধীনতার আন্দোলনের অনেক ছক হয়েছে এখানে। স্বাধীনতার সংগঠক খান সাহেব ওসমান আলী ও একেএম সামসুজ্জোহাকে স্মরণ করে পুলিশ সুপার বলেন,এক সময়ে এ নারায়ণগঞ্জ প্রাচ্যের ডান্ডি ছিল। এখন কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের কারণে কারখানা বন্ধ কবে, অরাজকতা হবে সেটা মেনে নেওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আর সামসুজ্জোহার স্বপ্নের নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসন বদ্ধ পরিকর।

আমরা মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে কোন আপস করবো না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর শততম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় রাইফেল ক্লাবের উদ্যোগে ৩য় বারের মত বঙ্গবন্ধু স্বর্ণ পদকশিশু-কিশোরদের সংগীত, আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণীর বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাইফেল ক্লাবের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা।

এসপি হারুন আরো বলেন,আবারো দেশে চক্রান্ত শুরু হয়েছে। যতবারই দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যায় তখনই জামায়াত ও শিবির অরাজকতা ঘটায়। বোমা হামলা করে মানুষ হত্যা করে উন্নতিকে থমকে রাখতে চায়। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীও সবাইকে সজাগ থাকতে বলেছেন। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় বোমা হামলা, যশোরে বোমা হামলা, রমনায় বোমা হামলা, ময়মনসিংহে সিনামাহলে বোমা হামলা করে শত শত লোককে হত্যা করেছে, অনেককে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে। দেশ যখন উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে তখনই ওই জামাত-শিবির চক্র বিভিন্ন কায়দায় জঙ্গিবাদ করে বোমা হামলা করে মানুষকে হত্যা করে। তারা আসলে ইসলাম নয় তারা ইসলামের শত্রু। আবার তারা বিভিন্ন জায়গায় সারা বাংলাদেশে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছে। নারায়ণগঞ্জের সকল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে একটি সুন্দর নারায়ণগঞ্জ উপহার দিবো। মাদক, সন্ত্রাস,চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আমরা সবসময়ই আছি।নারায়ণগঞ্জকে অবশ্যই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

প্রসঙ্গত, জাতির জনক বন্ধবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক সঙ্গীত, আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। এ বছর আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ৩৩০জন এবং সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় ২১৫ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।দেশবরেণ্য সংগীত শিল্পী শেখ সাদী খান, সাদী মোহাম্মদ ও ইয়াসমিন মুশতারী সংগীত প্রতিযোগিতায় এবং বিশিষ্ট আবৃত্তি প্রশিক্ষক ও আবৃত্তি শিল্পী মীর বরকত ও তামান্না তিথি আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত