শিরোনাম
◈ বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্র হচ্ছে এশিয়া, সুযোগ কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত ◈ গরিবের মাছ পাঙাশ-তেলাপিয়াও এখন নাগালের বাইরে ◈ ৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে ঢাকা-কুমিল্লা নতুন রেলপথ ◈ সুনামগঞ্জে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, ইউএনওকে দায়ী করার পর ঢাকায় নেওয়া হলো তাঁকে ◈ মক্কায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ে যে ৬ প্রশ্নের জবাব চেয়ে সৌদি আরবের কাছে চিঠি বাংলাদেশের ◈ ইউরোপের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের আধিপত্য, ৮ মাসে রপ্তানি কমলেও শীর্ষস্থান অটুট ◈ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন স্পিকার? সংবিধান সংশোধন কমিটিতে প্রস্তাব, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে যে আলোচনা হলো ◈ শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে এবার ৮৮ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও তারেক রহমানকে লেখা রহস্যময় চিঠিও ◈ ব্যাটিং কোচের পদ থেকে আশরাফুলকে অব‌্যাহ‌তি দি‌লো বি‌সি‌বি

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০১:০৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বল্পব্যয়ে ও দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, বললেন প্রধান বিচারপতি  

এস এম নূর মোহাম্মদ : প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় নতুন মামলার অন্তর্ভূক্তি রোধে বিকল্পভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রচলিত আইনি বিধানাবলী আরো সুক্ষভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি আদালতের জটবদ্ধ পুরাতন মামলাসমূহ যাতে দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে বিচারপ্রার্থীগণ যেন স্বল্পব্যয়ে ও দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার লাভ করেন।

শনিবার জুডিশিয়াল রিফর্ম কমিটি, সুপ্রিম কোর্ট এবং জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন বাংলাদেশ কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল জাস্টিস অডিটের ফলাফল উপস্থাপন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সভার শুরুতেই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্পাদিত ন্যাশনাল জাস্টিস অডিটের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। জাস্টিস অডিটের তথ্যমতে ৬৮ শতাংশ মানুষ আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থায় ন্যায়বিচার পাবেন বলে বিশ্বাস করেন। কিন্ত বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থাশীল হওয়া স্বত্ত্বেও তাদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী। অর্থাৎ মাত্র ১৩ শতাংশ বিচারপ্রার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় দ্বারস্থ হওয়ার প্রেক্ষিতে আদালতে ৩৪ লাখ মামলার জট তৈরি হয়েছে। আরো বেশি বিচারপ্রার্থী প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হলে পরিস্থিতি আরো ভিন্ন হতে পারত।

জাস্টিস অডিটের ফলাফল উপস্থাপনায় দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে মূখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে বিচারাধীন মামলার প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৪ শতাংশ, দায়রা আদালতে এই হার ১৬ শতাংশ এবং সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে এই প্রবৃদ্ধির হার ৯ শতাংশ।

প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধুমাত্র বিচারক বা অবকাঠামো বৃদ্ধির মাধ্যমে এ অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সঠিক মামলা ব্যবস্থাপনা। যা নিশ্চিত করতে আমাদের দুটি ধাপে কাজ করতে হবে। মামলা দায়েরের পূর্ববর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় মামলা দায়েরের হার যাতে কম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত মামলা দায়ের পরবর্তীতে প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্বল্পব্যয়ে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

  • সর্বশেষ