শিরোনাম
◈ সারাদেশে যেসকল নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল বিএনপি ◈ নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পেশ: ২০টি গ্রেডে কার বেতন কত বাড়ছে? ◈ সেনাপ্রধানের নির্বাচন নিয়ে নতুন বার্তা ◈ ভারতে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প দল নেবে আইসিসি, বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত ◈ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের পর এবার নগদ ১ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার ◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা?

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০১:০৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বল্পব্যয়ে ও দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, বললেন প্রধান বিচারপতি  

এস এম নূর মোহাম্মদ : প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় নতুন মামলার অন্তর্ভূক্তি রোধে বিকল্পভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রচলিত আইনি বিধানাবলী আরো সুক্ষভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি আদালতের জটবদ্ধ পুরাতন মামলাসমূহ যাতে দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে বিচারপ্রার্থীগণ যেন স্বল্পব্যয়ে ও দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার লাভ করেন।

শনিবার জুডিশিয়াল রিফর্ম কমিটি, সুপ্রিম কোর্ট এবং জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন বাংলাদেশ কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল জাস্টিস অডিটের ফলাফল উপস্থাপন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সভার শুরুতেই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্পাদিত ন্যাশনাল জাস্টিস অডিটের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। জাস্টিস অডিটের তথ্যমতে ৬৮ শতাংশ মানুষ আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থায় ন্যায়বিচার পাবেন বলে বিশ্বাস করেন। কিন্ত বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থাশীল হওয়া স্বত্ত্বেও তাদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী। অর্থাৎ মাত্র ১৩ শতাংশ বিচারপ্রার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় দ্বারস্থ হওয়ার প্রেক্ষিতে আদালতে ৩৪ লাখ মামলার জট তৈরি হয়েছে। আরো বেশি বিচারপ্রার্থী প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হলে পরিস্থিতি আরো ভিন্ন হতে পারত।

জাস্টিস অডিটের ফলাফল উপস্থাপনায় দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে মূখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে বিচারাধীন মামলার প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৪ শতাংশ, দায়রা আদালতে এই হার ১৬ শতাংশ এবং সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে এই প্রবৃদ্ধির হার ৯ শতাংশ।

প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধুমাত্র বিচারক বা অবকাঠামো বৃদ্ধির মাধ্যমে এ অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সঠিক মামলা ব্যবস্থাপনা। যা নিশ্চিত করতে আমাদের দুটি ধাপে কাজ করতে হবে। মামলা দায়েরের পূর্ববর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থায় মামলা দায়েরের হার যাতে কম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত মামলা দায়ের পরবর্তীতে প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্বল্পব্যয়ে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়