প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জলাশয় ভরাটকারীরা রাজনীতিকদের সঙ্গে বেশ ভাব জমিয়ে চলেন, বললেন সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান

নাঈম কামাল : বেলা প্রধান আরো বলেন, আমরা সংসদেও বলতে শুনেছি যারা জলাশয় ভরাট করে তারা অত্যন্ত প্রভাবশালী। সমস্যা হলো বেসরকারি হাউজিংয়ের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্যও জলাশয় ভরাট করছেন। যখন আপনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হয়ে আইন ভাঙবেন, তখন ব্যাসরকারি সংস্থার জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নৈতিক অবস্থা থাকছে না। বিবিসি বাংলা

তিনি বলেন, ২হাজার সালে জলাশয় আইন হলেও ২০১৯ সাল পর্যন্ত একটি আবাসন প্রকল্পকেও শাস্তি দেয়া হয়নি। তার মানে কি দেশে জলাশয় ভরাট হচ্ছে না? নিশ্চই হচ্ছে। মাষ্টার প্ল্যান এবং জলাশয় আইন ভেঙ্গে ভরাট হচ্ছে। আমরা চেয়েছিলাম সে প্রক্রিয়াটাকে প্রতিহত করতে। তারই ফলশ্রুতিতে মধুমতি আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা করে আমরা জিতেছি। তাদের প্রকল্প আর থাকবে না এবং সংশ্লিষ্টদের দ্বিগুন টাকা দিতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমরা জলাশয় আইন দিয়ে খুবই অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। এবং জলাশয় আইনের অধিনে অবৈধভাবে আবাসন প্রকল্পের নামে মাটি ভরাটের বিরুদ্ধে জলাশয় আইনে এটিই ছিলো প্রথম মামলা। এই মামলার পরেও ২০১০-২০১৯সাল পর্যন্ত ৯ বছরে ঢাকা শহরের ২২ভাগই আবাসন প্রকল্পের নামে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। যেখানে আধাবেলা বৃষ্টি হলেই গোটা শহর পানির নিচে চলে যায়। সেখানে যদি ৯ বছরেই ২২ ভাগ ভরে ফেলা হয় তাহলেতো তা প্রতিহত করতে হবে। কেবলমাত্র আরবান ড্রেনেজের জন্য না, গ্রাউন ওয়াটার রিচার্জ করার জন্য আইন প্রয়োগ করতে হবে।

বিবিসির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আশা করবো এ আইন বারবার প্রয়োগ করার মাধ্যমে অবৈধ এবং অননুমোদিতভাবে যারা জলাশয় ভরাট করছেন তাদেরকে প্রতিহত করা হবে তাদের স্বার্থকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে এই রায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত